Wikipedia

Search results

Thursday, 6 December 2018

বিখ্যাত ব্যাক্তিদের কিছু উক্তি

বিখ্যাত ব্যাক্তিদের কিছু উক্তি... স্ট্যাটাস দিবেন নাকি কাউকে উইশ করবেন না জাস্ট কালেকশনে রাখবেন তা একান্তই আপনারই ব্যাপার B-)B-)B-)

Our Facebook Group   Link  - Click Here
♠♠♠ সাফল্যের ৩টি শর্তঃ

- অন্যের থেকে বেশী জানুন!


- অন্যের থেকে বেশী কাজ করুন!

- অন্যের থেকে কম আশা করুন!

---------------------------------------------------------------- উইলিয়াম শেক্সপিয়ার। 



♠♠♠ আমি নষ্ট করেছি সময়, এখন সময় নষ্ট করছে আমায়
---------------------------------------------------------------- শেকসপীয়ার। 



♠♠♠ চন্দ্রের যা কলঙ্ক সেটা কেবল মুখের উপরে, তার জ্যোৎস্নায় কোনো দাগ পড়ে না।
---------------------------------------------------------------- রবি ঠাকুর।

♠♠♠ ''মৃত্যুর যন্ত্রণার চেয়ে বিরহের যন্ত্রণা যে কতো কঠিন,
কতো ভয়ানক তা একমাত্র ভুক্তভুগিই অনুভব করতে পারে''
---------------------------------------------------------------- কাজী নজরুল ইসলাম।

♠♠♠ বিশ্বাস করুন,আমি কবি হতে আসিনি,আমি নেতা হতে আসি নি-আমি প্রেম দিতে এসেছিলাম,প্রেম পেতে এসেছিলাম-সে প্রেম পেলামনা বলে আমি এই প্রেমহীন নীরস পৃথিবী থেকে নীরব অভিমানে চির দিনের জন্য বিদায় নিলাম।
---------------------------------------------------------------- কাজী নজরুল ইসলাম।

♠♠♠ জীবন হলো পেন্সিলে আঁকা এক ছবির নাম,
যার কোনো অংশ রাবার দিয়ে মুছে ফেলা যায় না।
---------------------------------------------------------------- জন ডব্লু গার্ডনার।

♠♠♠ ছেলেরা ভালোবাসার অভিনয় করতে করতে যে কখন সত্যি সত্যি ভালোবেসে ফেলে তারা তা নিজেও জানেনা ...
মেয়েরা সত্যিকার ভালোবাসতে বাসতে যে কখন অভিনয়
শুরু করে তারা তা নিজেও জানেনা ।
---------------------------------------------------------------- সমরেশ মজুমদার ।

♠♠♠ বিরক্তিকর কোনো মানুষ ফ্রড হতে পারে না । পৃথিবী তে ফ্রড মাত্র ই ইন্টারেস্টিং ক্যারেক্টার হয় ।
---------------------------------------------------------------- হুমায়ূন আহমেদ।

♠♠♠ প্রেম হয় শুধু দেখা ও চোখের
ভাল লাগা থেকে, রাগ থেকে
প্রেম হয়, ঘৃণা থেকে প্রেম
হয়, প্রেম হয়
অপমান থেকে, এমনকি প্রেম
হয় লজ্জা থেকেও। প্রেম
আসলে লুকিয়ে আছে মানবসম্প্রদায়ের
প্রতিটি ক্রোমসমে। একটু সুযোগ
পেলেই সে জেগে উঠে।
---------------------------------------------------------------- হুমায়ূন আহমেদ।

Our Facebook Group Link - Click Here


♠♠♠ একজন সুন্দর, আকর্ষণীয় রমণীর পাশে ২ ঘণ্টা বসে থাকুন, দেখবেন সময় উড়ে চলে গেছে!! এবার গ্রীষ্মের গরমের মাঝে রাস্তায় ২ মিনিট হাঁটুন, মনে হবে আপনি অনন্তকাল ধরে হাঁটছেন!!
---------------------------------------------------------------- আলবার্ট আইনস্টাইন।

♠♠♠ আমি সবসময়ই পরীক্ষার বিরোধীতা করি। পরীক্ষা শিক্ষার্থীদের জানার আগ্রহকে মেরে ফেলে। শিক্ষার্থীর জীবনে কোন ভাবেই দুইটির বেশি পরীক্ষা দেওয়া উচিত নয়। আমি হলে শিক্ষার্থীদের জন্য সেমিনার আয়োজন করতাম। শিক্ষার্থীরা যদি মনোযোগ দিয়ে শুনতো তা হলেই আমি তাদের ডিপ্লোমা দিয়ে দিতাম।
----------------------------------------------------------------আইনস্টাইন।

♠♠♠ দুর্ভাগ্যবান তারাই যাদের প্রকৃত বন্ধু নেই।
----------------------------------------------------------------অ্যারিস্টটল।

♠♠♠ স্বপ্ন সেটা নয় , যেটা মানুষ ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে দেখে
সপ্ন সেটাই যেটা পূরণের প্রত্যাশা মানুষকে ঘুমাতে দেয় না
---------------------------------------------------------------- ডঃ এ.পি.জে.আব্দুল কালাম।

♠♠♠ আমি বিশ্বের সব ইহুদী মারতাম, কিন্তু কিছু ইহুদী বাঁচিয়ে রাখলাম যাতে পুরো বিশ্ব বুঝতে পারে যে কেন আমি তাদের মেরেছি"
---------------------------------------------------------------- হিটলার।

♠♠♠ যখন তুমি মারা যাবা
তখন তোমার ব্যাংকে
যে পরিমান টাকা থাকবে
সেটা হল ওই টাকা
যা তুমি তোমার প্রয়োজনের চেয়ে
অতিরিক্ত কাজ করে আয় করেছ.....
---------------------------------------------------------------- হিটলার।


♠♠♠ ভীরুরা তাদের প্রকৃত মৃত্যুর আগেই বহুবার মরে,
কিন্তূ সাহসীরা জীবনে মাত্র একবারই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করে থাকে |
---------------------------------------------------------------- শেকসপীয়ার।
♠♠♠ মানুষ কে ঘৃনা করার অপরাধে অতীতে কাউকে কখনো মৃত্যুদন্ড দেয়া হয়নি। কিন্তু মানুষ কে ভালবাসার অপরাধে অতীতে অনেককেই হত্যা করা হয়েছে, ভবিষ্যতেও হয়তো হবে !!
---------------------------------------------------------------- হুমায়ুন আহমেদ।


♠♠♠ পাখি উড়ে গেলেও পলক
ফেলে যায় আর মানুষ
চলে গেলে ফেলে রেখে যায়
স্মৃতি ।
---------------------------------------------------------------- হুমায়ূন আহমেদ।

♠♠♠ এই পৃথিবীতে প্রিয় মানুষগুলোকে ছাড়া
বেঁচে থাকাটা কষ্টকর
কিন্তু
অসম্ভব কিছু নয়।
কারো জন্য কারো জীবন
থেমে থাকে না,
জীবন তার মতই প্রবাহিত হবে।
তাই
যেটা ছিল না সেটা না পাওয়ায় থাক,
সব পেয়ে গেলে জীবনটাও
একঘেয়েমি হয়ে যায়।
মনে রেখো পৃথিবীর সকল কষ্টই ক্ষণস্থায়ী।

----------------------------------------------------------------হুমায়ূন আহমেদ।

♠♠♠ পৃথিবীতে আনন্দ এবং দুঃখ সব সময় থাকবে সমান সমান।
বিজ্ঞানের ভাষায়-Conservation of আনন্দ।
একজন কেউ চরম আনন্দ পেলে,অন্য জনকে চরম দুঃখ পেতে হবে।
---------------------------------------------------------------- আজ হিমুর বিয়ে (হুমায়ূন আহমেদ)

♠♠♠ "কাউকে প্রচন্ডভাবে ভালবাসার
মধ্যে এক ধরনের
দুর্বলতা আছে।
নিজেকে তখন তুচ্ছ
এবং সামান্য মনে হয়।
এই ব্যাপারটা নিজেকে ছোট
করে দেয়।"
----------------------------------------------------------------হুমায়ূন আহমেদ (তিথির নীল তোয়ালে)


♠♠♠ "নিজের সার্টিফিকেট নিজেই দিও না।খেয়াল করে দেখ যে, সবাই তোমাকে কি ভাবে।তাদের কাছেই সার্টিফিকেট নাও।নিজের সমালোচনা করেই দেখ না,শুদ্ধ
হওয়া কঠিন কিছু না।"
---------------------------------------------------------------- হুমায়ূন আহমেদ।

♠♠♠ লাইফে কিছু ফিল্মি ব্যাপার থাকার উচিত ছিল। এই যেমন কাউকে খুব মিস করছি আর সে বুঝে গেল ব্যাপারটা! মুখে বলা লাগলো না... এটা আসলে খুব পেইনফুল। মিসও করছি আবার বলতেও ইচ্ছা হচ্ছে না !
---------------------------------------------------------------- হুমায়ূন আহমেদ।

♠♠♠ মেয়েদের তৃতীয় নয়ন থাকে।
এই নয়নে সে প্রেমে পড়া বিষয়টি চট করে বুঝে ফেলে।
পুরুষের খারাপ দৃষ্টিও বুঝে।

মুরুব্বি কোন মানুষ মা- মা বলেপিঠে হাত বুলাচ্ছে - সেই স্পর্শ থেকেও
সে বুঝে ফেলে মা ডাকের অংশে ভেজাল কতটুকু আছে।
----------------------------------------------------------------হুমায়ূন আহমেদ।

♠♠♠ ছেলে এবং মেয়ে বন্ধু হতে পারে,
কিন্তু তারা অবশ্যই একে অপরের প্রেমে পড়বে।
হয়ত খুবই অল্প সময়ের জন্য, অথবা ভুল সময়ে।
কিংবা খুবই দেরিতে, আর না হয় সব সময়ের জন্য।
তবে প্রেমে তারা পড়বেই...
---------------------------------------------------------------- হুমায়ূন আহমেদ।


♠♠♠ যদি নাই বুঝতে পারি বেঁচে আছি
তবে জীবনের কি মূল্য ?
সব সময় নিজেকে বা অন্যকে
আনন্দে রেখে দেখই না...
বাহ্,
জীবনটাতো মন্দ নয়
---------------------------------------------------------------- হুমায়ূন আহমেদ।

♠♠♠ আমার হারিয়ে ফেলার কেউ নেই,
কাজেই খুঁজে পাওয়ারও কেউ নেই,
আমি মাঝে মাঝে নিজেকে হারিয়ে ফেলি, আবার খুঁজে পাই !"
---------------------------------------------------------------- হুমায়ুন আহমেদ.।


♠♠♠ "যে ভালোবাসা না চাইতে পাওয়া যায়, তার প্রতি কোনো মোহ থাকে না।"
---------------------------------------------------------------- আমার ছেলেবেলা (হুমায়ূন আহমেদ)

♠♠♠ মানুষের পুরো জীবনটা হচ্ছে একটা সরল অংক ।যতই দিন যাচ্ছে,ততই আমরা তার সমাধানের দিকে যাচ্ছি ।
---------------------------------------------------------------- হুমায়ূন আহমেদ ।

♠♠♠ মানুষ নিজেকে লুকিয়ে রাখতে পছন্দ করে। সে চায় তাঁকে খুঁজে বের করুক।
---------------------------------------------------------------- হুমায়ূন আহমেদ।

♠♠♠ পৃথিবীতে এমন কোনো কাজ নেই
যা করলে জীবন ব্যার্থ হয়। জীবন এতই বড় ব্যাপার যে একে ব্যার্থ করা খুবই কঠিন....."
---------------------------------------------------------------- হুমায়ুন আহমেদ।


♠♠♠ "যদি আমার কাছে একটি গাছ কাটার জন্য ৮ ঘণ্টা সময় থাকে।।
তাহলে আমি কুড়াল ধার করার জন্য ৭ঘণ্টা ব্যায় করব"

---------------------------------------------------------------- আব্রাহাম লিঙ্কন!!


♠♠♠ যে জাতি তার বাচ্চাদের বিড়ালের ভয় দেখিয়ে ঘুম পাড়ায়,
তারা সিংহের সাথে লড়াই করা কিভাবে শিখবে?
যারা পানিতে ডুবে যাওয়ার ভয়ে তার সন্তানকে ডোবায় নামতে দেন না,
কিভাবে সে সন্তান আটলান্টিক পাড়ি দিবে?"
---------------------------------------------------------------- শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক।
♠♠♠ ছেলেদের জন্য পৃথিবীতে সব চাইতে মূল্যবান হল
মেয়েদের হাসি।
---------------------------------------------------------------- হুমায়ূন আহমেদ।

♠♠♠ গার্লফ্রেন্ড বিহীন তরুনের পৃথিবীতে বেঁচে থাকা, ঘাসবিহীন মাঠে গরুর পায়চারির মত...
---------------------------------------------------------------- হুমায়ুন আহমেদ


♠♠♠ তুমি হাসলে সবাই তোমার সাথে হাসবে, কিন্তু তুমি কাঁদলে কেউ তোমার সাথে কাঁদবে না। মানুষকে কাঁদতে হয় একা একা।
---------------------------------------------------------------- হুমায়ূন আহমেদ।

♠♠♠ বেঁচে থাকার মত আনন্দ আর কিছুই নেই। কত অপূর্ব দৃশ্য চারিদিকে। মন দিয়ে আমরা কখনো তা দেখি না। যখন সময় শেষ হয়ে যায়, তখনি শুধু হাহাকারে হৃদয় পূর্ণ হয়।"
---------------------------------------------------------------- হুমায়ূন আহমেদ।

♠♠♠ ভালবাসা কারো জন্য দীর্ঘ প্রক্রিয়া আবার কারো জন্য স্বল্প। কিন্তু কষ্ট দুটোতেই সমান।
---------------------------------------------------------------- হুমায়ুন আহমেদ।


♠♠♠ মানুষের বেঁচে থাকার জন্য অপেক্ষা নামের ব্যাপারটি খুব প্রয়োজন। অপেক্ষা হচ্ছে মানুষের বেঁচে থাকার টনিক...
---------------------------------------------------------------- হুমায়ূন আহমেদ।

♠♠♠ "জন্ম ও মৃত্যু দুটোই আশ্চর্য রকমের। দুটো স্মৃতি একান্তই নিজের। কারন এ দুটো কারো সাথেই শেয়ার করা যায় না।"
---------------------------------------------------------------- হুমায়ুন আহমেদ।

♠♠♠ যে রাগের সঙ্গে সামান্যতম হলেও ভালবাসা মেশান থাকে, সেই রাগ মেয়েদের রূপ বাড়িয়ে দেয়......
---------------------------------------------------------------- হুমায়ূন আহমেদ।

♠♠♠ যে ভালবাসা যত গোপন, সেই ভালবাসা তত গভীর...♥
---------------------------------------------------------------- হুমায়ুন আহমেদ।

♠♠♠ বেফাঁস কথা বলার চেয়ে চুপ থাকাই শ্রেয়।
---------------------------------------------------------------- জর্জ হাবার্ট।

♠♠♠ শীতের কুয়াশার সে কোন অন্তিম পোচড়ের ফাঁকে-ফাঁকে বৃহস্পতি কালপুরুষ অভিজিৎ সিরিয়াস যেন লন্ঠন হাতে করে এখান থেকে সেখানে, সেখান থেকে এখানে কোন সুদূরযানের পথে চলেছে, কেমন একটা আশ্চর্য দূর পরলোকের নিক্কণ শোনা যায় যেন।
---------------------------------------------------------------- জীবনানন্দ দাশ (মাল্যবান)

♠♠♠ বিয়ে একটি জুয়া খেলা - পুরুষ বাজী রাখে স্বাধীনতা আর নারী বাজী রাখে সুখ।
---------------------------------------------------------------- মাদ সোয়াজেন।
♠♠♠ নিজেকে নিয়ন্ত্রণ কর
তারপর অন্যকে অনুশাসন কর
নিজে নিয়ন্ত্রিত হলে অন্যকেও নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে
নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করাই কঠিন ...।
---------------------------------------------------------------- গৌতম বুদ্ধ।

♠♠♠ দুঃখ নিজেই নিজের খেয়াল রাখতে পারে,
কিন্তু আনন্দের পুরোটা উপভোগ করতে চাইলে
অবশ্যই তোমাকে তা কার সঙ্গে ভাগ করে নিতে হবে।
---------------------------------------------------------------- মার্ক টোয়েন ।

♠♠♠ যে পুরুষ একটি নারীকে বুঝতে পারে, সে পৃথিবীর যে কোন জিনিষ বুঝতে
পারার গৌরব করতে পারে।
---------------------------------------------------------------- জে. বি. ইয়েটস।

♠♠♠ চালাকির দ্বারা কোন মহৎ কাজ হয় না !
---------------------------------------------------------------- স্বামী বিবেকানন্দ।

♠♠♠ আলোতে একাকী হাটার চেয়ে বন্ধুকে নিয়ে অন্ধকারে হাটা উত্তম।

---------------------------------------------------------------- হেলেন কিলার।


♠♠♠ যদি কোনো নারীর ফাসি হয়, ফাসিতে যাওয়ার আগেও
সে তার প্রসাধন ঠিক করার জন্য সময় চাইবে ।
---------------------------------------------------------------- চেমফোর্ড ।


♠♠♠ শিক্ষকের জীবনের থেকে চোর,
চোরাচালানি, দারোগার জীবন
অনেক আকর্ষণীয়। এ সমাজ
শিক্ষক চায় না, চোর- চোরাচালানি-
দারো গা চায়।
---------------------------------------------------------------- হুমায়ুন আজাদ।



♠♠♠ ''তৃতীয় বিশ্বে রাজনীতি করুণ হিংস্র এক প্রহসন;কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে অভিনীত

হয়ে থাকে এ রাষ্ট্রীয় রঙ্গ নাট্য!''

---------------------------------------------------------------- হুমায়ূন আজাদ।

♠♠♠ দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ, পঞ্চম প্রেম বলে কিছু নেই।
মানুষ যখন প্রেমে পড়ে, তখন প্রতিটি প্রেমই প্রথম প্রেম।
---------------------------------------------------------------- হুমায়ূন আজাদ।

♠♠♠ নষ্টদের কোন দল নেই। এরা স্বার্থের জন্য সকল পরিচয়েই পরিচিত হতে চায় যা তাদের স্বার্থের অনুকূলে যায়।
----------------------------------------------------------------নষ্ট আজাদ।

♠♠♠ যখন তোমার পকেট ভর্তি টাকা থাকবে তখন শুধুমাত্র তুমি ভুলে যাবে যে 'তুমি কে'; কিন্তু যখন তোমার পকেট ফাঁকা থাকবে তখন
সমগ্র দুনিয়া ভুলে যাবে 'তুমি কে!"
---------------------------------------------------------------- বিল গেটস।

♠♠♠ বিয়ে করার অর্থ হচ্ছে নিজের অধিকারকে অর্ধেক করে নেওয়া এবং কর্তব্যকে দ্বিগুণ করা।।
------------------------------------------------------- শুপেনহাওয়ার।

♠♠♠ ভাগ্য সবার দুয়ারে আসার জন্যই অপেক্ষা করে, কিন্তু উপযাচক হয়ে আসে না,ডেকে আনতে হয়।
-----------------------------------------------------------------ইলা অলড্রিচ

♠♠♠ তোমার দেশ তোমার জন্য কি করেছে তা জিজ্ঞেস করো না, নিজেকে জিজ্ঞেস করো তুমি তোমার দেশের জন্য কি করতে পেরেছো।
------------------------------------------------------------জন অফ কেনেডি

♠♠♠ আগুন দিয়ে যেমন লোহা চেনা যায় তেমনি মেধা দিয়ে মানুষ চেনা যায় ।
------------------------------------------------------------– জন এ শেড

♠♠♠ সৎ লোক সাতবার বিপদে পড়লে আবার উঠে কিন্তু অসৎ লোক বিপদে পড়লে একবারে নৃপাত হয়
----------------------------------------------------– হযরত সুলায়মান

♠♠♠ বন্ধু হচ্ছে দুটি হৃদয়ের একটি অভিন্ন মন ।
--------------------------------------------------------------– সক্রেটিস

♠♠♠ যে সব দৃশ আমরা খুব মন লাগিয়ে দেখতে চাই সে সব দৃশ্য কখনো ভালভাবে দেখতে পারি না সেই সব দৃশ্য অতি দ্রুত চোখের সামনে দিয়ে চলে যায় ।
-------------------------------------------------------------- রবার্ট ফ্রস্ট

♠♠♠“ সেই যথার্থ মানুষ যে জীবনের পরিবর্তন দেখেছে এবং পরিবর্তনের সাথে নিজেও পরিবর্তিত হয়েছে॥ ”
-------------------------------------------------------------- বায়রন।

♠♠♠“ অন্যকে বারবার ক্ষমা কর কিন্তু নিজেকে কখনোই ক্ষমা করিও না॥ ”
-------------------------------------------------------------- সাইরাস।

♠♠♠“ কান্নায় অনন্ত সুখ আছে তাইতো কাঁদতে এত ভালোবাসি॥ ”
-------------------------------------------------------------- স্বামী বিবেকানান্দ।

♠♠♠“ জ্ঞানের ন্যায় পবিত্র বস্তু জগতে আর কিছুই নেই॥ ”
—-------------------------------------------------------------- গীতা।

♠♠♠“ যৌবন যার সৎ, সুন্দর ও কর্মময় তার বৃদ্ধ বয়সকে স্বর্ণযুগ বলা হয়॥ ”
-------------------------------------------------------------- জর্জ গ্রসভিল।

♠♠♠“ আমি চলে গেলে যদি কেউ না কাঁদে তবে আমার অস্তিত্বের কোন মূল্য নেই॥ ”
-------------------------------------------------------------- সুইফট।

♠♠♠“ বন্ধুর সাথে এমন ব্যাবহার কর যেন বিচারকের শরণাপন্ন হতে না হয়॥ ”
-------------------------------------------------------------- প্লেটো।

♠♠♠“ অসৎ ব্যক্তি সৎ ব্যক্তির কাজের মধ্যে কোন মহৎ উদ্দেশ্য খুঁজে পায় না॥ ”
-------------------------------------------------------------- জন বেকার।

♠♠♠“ সব দুঃখের মূল এই দুনিয়ার প্রতি অত্যাধিক আকর্ষণ॥ ”
-------------------------------------------------------------- হযরত আলী (রাঃ)।

♠♠♠“ আগুন দিয়ে যেমন লোহা চেনা যায় তেমনি মেধা দিয়ে মানুষ চেনা যায়॥ ”
-------------------------------------------------------------- জন এ শেড।

♠♠♠“ সময় বেশি লাগলেও ধৈর্য সহকারে কাজ কর, তাহলেই প্রতিষ্ঠা পাবে॥ ”
-------------------------------------------------------------- ডব্লিউ এস ল্যান্ডের।

♠♠♠“ একজন অলস মানুষ স্বভাবতই খারাপ মানুষ॥ ”
-------------------------------------------------------------- এস টি কোলরিজ।

♠♠♠“ সাহস নিয়ে বেঁচে থাকো না হয় মরে যাও॥ ”
-------------------------------------------------------------- মেরিডিথ।

♠♠♠“ সৎ লোক সাতবার বিপদে পড়লে আবার উঠে কিন্তু অসৎ লোক বিপদে পড়লে একবারে নৃপাত হয়॥ ”
-------------------------------------------------------------- হযরত সোলায়মান (আঃ)।

♠♠♠“ যদি তুমি কখনো অপমানিত বোধ কর তবে অপরকে সেটা বুঝতে দেবে না॥ ”
-------------------------------------------------------------- জন বেকার।

♠♠♠“ যে মন খুলে হাসতে পারে না, সেই পৃথিবীতে সবচেয়ে অসুখী॥ ”
-------------------------------------------------------------- জন লিলি।

♠♠♠“ ভালোবাসার জন্য যার পতন হয় সে বিধাতার কাছে আকাশের তারার মত উজ্জ্বল॥ ”
-------------------------------------------------------------- জনসন।

♠♠♠“ পরিপূর্ণ তৃপ্তি নিয়ে কুঁড়ে ঘরে থাকাও ভালো, অতৃপ্তি নিয়ে বিরাট অট্টালিকায় থাকার কোন সার্থকতা নেই॥ ”
-------------------------------------------------------------- উলিয়ামস হেডস।

♠♠♠“ প্রেমের আনন্দ থাকে স্বল্পক্ষণ কিন্তু বেদনা থাকে সারাটি জীবন॥ ”
-------------------------------------------------------------- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

♠♠♠“ সেই সত্যিকারের মানুষ যে অন্যের দোষত্রুটি নিজেকে দিয়ে বিবেচনা করতে পারে॥ ”
-------------------------------------------------------------- লর্ড হ্যলি ফক্স।

♠♠♠“ সবার সাথে যে তাল মিলিয়ে কথা বলে সে ব্যক্তিত্বহীন॥ ”
-------------------------------------------------------------- মার্ক টোয়েন।

♠♠♠“ পুরুষের লক্ষ্য রাখা উচিত যত দিন বেশী তারা অবিবাহিত জীবনযাত্রা করতে পারে॥ ”
-------------------------------------------------------------- জর্জ বার্নাডস।

♠♠♠“ যে সহজ সরল জীবনযাপন করে সুখ তার জন্য অত্যন্ত সুলভ্য॥ ”
-------------------------------------------------------------- আলেকজান্ডার।

♠♠♠“ বন্ধু হচ্ছে দুটি হৃদয়ের একটি অভিন্ন মন॥ ”
-------------------------------------------------------------- সক্রেটিস।

♠♠♠“ যে সব দৃশ আমরা খুব মন লাগিয়ে দেখতে চাই সে সব দৃশ্য কখনো ভালভাবে দেখতে পারি না সেই সব দৃশ্য অতি দ্রুত চোখের সামনে দিয়ে চলে যায়॥ ”
-------------------------------------------------------------- রবার্ট ফ্রস্ট।

♠♠♠“ ভাগ্য বলে কিছুই নেই, প্রত্যেকের চেষ্টা ও যত্নের উপর তা গড়ে উঠে॥ ”
-------------------------------------------------------------- স্কট।

♠♠♠“ বিদ্ধানের কলমের কালি শহীদের রক্তের চেয়েও পবিত্র॥ ”
-------------------------------------------------------------- আল হাদিস।

Monday, 3 December 2018

অনুপেরণা যোগানো কিছু উক্তি

অনুপেরণা যোগানো কিছু উক্তি


“ মাত্র দুটি পন্থায় সফল হওয়া যায়! একটি হচ্ছে সঠিক লক্ষ্য নির্ধারণ করা, ঠিক যা তুমি করতে চাও। আর দ্বিতীয়টি হচ্ছে, সেই লক্ষ্যে কাজ করে যাওয়া॥ ”
—মারিও কুওমো

“ ঝগড়া চরমে পৌঁছার আগেই ক্ষান্ত হও॥ ”
—হযরত সোলায়মান (আঃ)।


Admin Profile llink



“ অনুকরণ নয়, অনুসরণ নয়, নিজেকে খুঁজুন, নিজেকে জানুন, নিজের পথে চলুন॥ ”
—ডেল কার্নেগি।

“ হ্যাঁ এবং না কথা দুটো সবচেয়ে পুরনো এবং সবচেয়ে ছোট।
কিন্তু এ কথা দুটো বলতেই সবচেয়ে বেশি ভাবতে হয়॥ ”
—পীথাগোরাস।

“ ঝগড়া চরমে পৌঁছার আগেই ক্ষান্ত হও॥ ”
—হযরত সোলায়মান (আঃ)।

“ তুমি যদি কোনো লোককে জানতে চাও, তা হলে তাকে প্রথমে ভালবাসতে শেখো॥ ”
—লেলিন।

“ একজন আহত ব্যক্তি তার যন্ত্রনা যত সহজে ভুলে যায়, একজন অপমানিত ব্যক্তি তত সহজে অপমান ভোলে না॥ ”
—জর্জ লিললো।

“ দুর্ভাগ্যবান তারাই যাদের প্রকৃত বন্ধু নেই॥ ”
—অ্যারিস্টটল।

“ বিশ্বাস জীবনকে গতিময়তা দান করে, আর অবিশ্বাস জীবনকে দুর্বিষহ করে তোলে॥ ”
—মিল্টন।
“ আল্লাহর ভয় মানুষকে সকল ভয় হতে মুক্তি দেয়॥ ”
—ইবনে সিনা।

“ স্বপ্নপূরণই জীবনের একমাত্র লক্ষ্য নয়। তাই বলে, স্বপ্নকে ত্যাগ করে নয়, তাকে সঙ্গে নিয়ে চলো। স্বপ্ন ছাড়া জীবন অর্থহীন॥ ”
—ব্রায়ান ডাইসন।

“ এই পৃথিবী কখনো খারাপ মানুষের খারাপ কর্মের জন্য ধ্বংস হবে না। যারা খারাপ মানুষের খারাপ কর্ম দেখেও কিছু করেনা তাদের জন্যই পৃথিবী ধ্বংস হবে॥ ”
—আইনস্টাইন।

“ নতুন দিনই নতুন চাহিদা ও নতুন দৃষ্টিভঙ্গির জন্ম দেয়॥ ”
—জন লিভেগেট।

“ যেখানে পরিশ্রম নেই সেখানে সাফল্যও নেই॥ ”
—উইলিয়াম ল্যাংলয়েড।

“ সত্য একবার বলতে হয়; সত্য বারবার বললে মিথ্যার মতো শোনায়। মিথ্যা বারবার বলতে হয়; মিথ্যা বারবার বললে সত্য ৰলে মনে হয়॥ ”

—হুমায়ূন আজাদ।

“ যে নিজেকে অক্ষম ভাবে, তাকে কেউ সাহায্য করতে পারে না॥ ”
—জন এন্ডারসন।

“ চিন্তা কর বেশি, বল অল্প এবং লেখ তার চেয়েও কম॥ ”
—জন রে।

“ সবচেয়ে কঠিন কাজ হচ্ছে নিজেকে চেনা এবং সবচেয়ে সহজ কাজ হচ্ছে অন্যদেরকে উপদেশ দেয়া॥ ”
—থেলিস।

“ যে নিজেকে দমন করতে পারে না সে নিজের জন্যেও বিপদজনক এবং অন্য সবার জন্যেও॥ ”
—থেলিস।

“ সফলতা সুখের চাবিকাঠি নয় বরং সুখ হল সফলতার চাবিকাঠি। আপনার কাজকে যদি আপনি মনে প্রানে ভালবাসতে পারেন অর্থাৎ যদি আপনি নিজের কাজ নিয়ে সুখী হন তবে আপনি অবশ্যই সফল হবেন॥ ”
—Albert Schweitzer.

“ আমি বলবনা আমি ১০০০ বার হেরেছি, আমি বলবো যে আমি হারার ১০০০ টি কারণ বের করেছি॥ ”
—টমাস আলভা এডিসন।

“ যে বিজ্ঞানকে অল্প জানবে সে নাস্তিক হবে, আর যে ভালো ভাবে বিজ্ঞানকে জানবে সে অবশ্যই ঈশ্বরে বিশ্বাসী হবে॥ ”
—ফ্রান্সিস বেকন।

Admin Profile Link

“ সত্যকে ভালবাস কিন্তু ভুলকে ক্ষমা কর॥ ”
—ভলতেয়ার।

“ আমি স্বপ্ন দেখেছিলাম, সেইস্বপ্নে আস্থা ছিল। আর আমি কাজটা ভালোবাসতাম। ফেসবুক বিফল হলেও আমার ভালোবাসাটা থাকত। জীবনে একটা স্বপ্ন থাকতে হয়, সেই স্বপ্নকে ভালোও বাসতে হয়॥ ”
—মার্ক জুকারবার্গ।

“ যে পরিশ্রমী সে অন্যের সহানুভূতির প্রত্যাশী নয়॥ ”
—এডমণ্ড বার্ক।

“ পৃথিবীতে সবাই জিনিয়াস; কিন্তু আপনি যদি ১ টি মাছকে তার গাছ বেয়ে উঠার সামর্থ্যের উপর বিচার করেন তাহলে সে সারা জীবন নিজেকে শুধু অপদার্থই ভেবে যাবে॥ ”
—আইনস্টাইন।

“ আমি ব্যর্থতা কে মেনে নিতে পারি কিন্তু আমি চেষ্টা না করাকে মেনে নিতে পারিনা॥ ”
—মাইকেল জর্ডান।

“ প্রত্যেককে বিশ্বাস করা বিপদজনক; কিন্তু কাউকে বিশ্বাস না করা আরো বেশী বিপদজনক॥ ”
—আব্রাহাম লিংকন।

‘‘ যারা আমাকে সাহায্য করতে মানা করে দিয়েছিল আমি তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ। কারন তাদের ‘না’ এর জন্যই আজ আমি নিজের কাজ নিজে করতে শিখেছি॥ ’’
—আইনস্টাইন।

“ যারা বলে অসম্ভব, অসম্ভব তাদের দুয়ারেই বেশি হানা দেয়॥ ”
—জন সার্কল।

“ আমরা ভাবি দেশে যত ছেলে পাশ হচ্ছে তত শিক্ষার বিস্তার হচ্ছে। পাশ করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয়, এ সত্য স্বীকার করতে আমরা কুন্ঠিত হই॥ ”
—প্রমথ চৌধুরী।

“ তোমার বন্ধু হচ্ছে সে, যে তোমার সব খারাপ দিক জানে; তবুও তোমাকে পছন্দ করে॥ ”
—অ্যালবার্ট হুবার্ড।

“ স্কুলে যা শেখানো হয়, তার সবটুকুই ভুলে যাবার পর যা থাকে; তাই হলো শিক্ষা॥ ”
—অ্যালবার্ট আইনস্টাইন।

“ আমি আপনাকে কখনও ভালবাসতে না বলে যুদ্ধ করতে বলি। কারণ যুদ্ধে হয় আপনি বাঁচবেন না হয় মরবেন। কিন্তু ভালবাসাতে না পারবেন বাঁচতে; না মরতে॥ ”
—এডলফ হিটলার।

“ যারা কাপুরুষ তারাই ভাগ্যের দিকে চেয়ে থাকে, পুরুষ চায় নিজের শক্তির দিকে। তোমার বাহু, তোমার মাথা তোমাকে টেনে তুলবে, তোমার কপাল নয়॥ ”
—ডঃ লুৎফর রহমান।

“ বাঙালি সমালোচনা সহ্য করে না; নিজেকে কখনো সংশোধন করেনা। নিজের দোষত্রুটি সংশোধন না করে সেগুলোকে বাড়ানোকেই বাঙালি মনে করে সমালোচনার যথাযথ উত্তর॥ ”
—হুমায়ুন আজাদ।

“ কাল আমার পরীক্ষা। কিন্তু এটা আমার কাছে বিশেষ কোন ব্যাপারই না, কারন শুধুমাত্র পরীক্ষার খাতার কয়েকটা পাতাই আমার ভবিষ্যৎ নির্ধারন করতে পারেনা॥ ”
—টমাস আলভা এডিসন।

“ সবাই অনেকদিন বাঁচতে চায়, কিন্তু কেউই বুড়ো হতে চায় না॥ ”
—জোনাথন সুইফট।

“ ছেলেদের মদ্ধে বন্ধুত্ব নষ্টের অন্যতম দুইটি কারণ- টাকা এবং মেয়ে। সব সময় এই দুইটি জিনিস বন্ধুত্ব থেকে দূরে রাখতে চেষ্টা করুন॥ ”
“ পৃথিবী জুড়ে প্রতিটি নরনারী এখন মনে করে তাদের জীবন ব্যর্থ, কেননা তারা অভিনেতা বা অভিনেত্রী হতে পারেনি॥ ”
—হুমায়ুন আজাদ।

“ তুমি যখন প্রেমে পড়বে তখন আর তোমার ঘুমাতে ইচ্ছে করবেনা; কারণ তখন তোমার বাস্তব জীবন স্বপ্নের চেয়ে আনন্দময় হবে॥ ”
—Dr. Seuss.

“ একবার পরীক্ষায় কয়েকটা বিষয়ে আমি ফেল করেছিলাম কিন্তু আমার বন্ধু সব বিষয়েই পাশ করে। এখন সে মাইক্রোসফটের একজন ইঞ্জিনিয়ার আর আমি মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা॥ ”
—বিল গেটস।

“ টাকার বিনিময়ে শিক্ষা অর্জনের চেয়ে অশিক্ষিত থাকা ভাল॥ ”
—সক্রেটিস।

Thursday, 29 November 2018

নাট্যকার উইলিয়াম শেক্সপীয়ার জীবনী



 Follow Us On Facebook )( Click Here



সম্পূর্ণ নাম: উইলিয়াম শেক্সপীয়ার
জন্ম তারিখ: 26 এপ্রিল 1564
জন্মস্থান: ইংল্যান্ড
মৃত্যু: 23 এপ্রিল 1616 (বয়স 52)
পেশা: নাট্যকার, কবি, অভিনেতা
জাতীয়তা: ইংরেজি
সময়কাল: ইংরেজি নবজাগরণ
পত্নী: অ্যান হ্যাথওয়ে
সময়কাল: নবজাগরণ

শেক্সপীয়ারের জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ নাট্যকারের তথ্য এখানে বিস্তারিতভাবে পুনরাবৃত্তি করা উচিত। তারা থিয়েটারের একজন বাস্তব মানুষ প্রতিষ্ঠার পরে তার প্রতিভা প্রকৃতির উপর কার্যত কোন আলো নিক্ষেপ। তার নেটিভ শহর স্ট্রাটফোর্ড ছিল, যেখানে তিনি একটি ব্যাকরণ স্কুল শিক্ষা পেয়েছিলেন। সেখানে তিনি তার পিতার আর্থিক বিনিময়ে ভাগ করে নিয়েছিলেন এবং আট বছর বয়সের একজন মহিলাকে বিয়ে করেছিলেন, তার সিনিয়র তাকে দীর্ঘদিন ধরে ধরে রাখেনি।

1586 সালে লন্ডনে চলে যাওয়ার পর শেক্সপীয়ার তার বাসস্থান গড়ে তোলার জন্য প্রস্তুত হয়েছিলেন, যেখানে তিনি রয়েছেন, 1611 সাল পর্যন্ত তার বাড়িতে বিরল পরিদর্শন আশা করেছিলেন। তিনি প্রায়শই থিয়েটারে চাকরি খুঁজে পেয়েছেন বলে মনে করেন। একজন নাট্যকার হিসাবে তাঁর সাফল্য অসাধারণ বলে মনে হচ্ছে; 15২9 সাল নাগাদ তিনি পুরোনো নাট্যকারদের দ্বারা ইতস্তত করেছিলেন, যাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার সুযোগ ছিল। শেক্সপীয়ার, যদিও, খুব খুশি হয়ে ওঠেন এবং সাউদারাম্পটন এর আর্ল একটি পৃষ্ঠপোষক অধিষ্ঠিত করেন, যাকে তিনি তার বেশিরভাগ জনপ্রিয় কবিতাগুলি উৎসর্গ করেছিলেন। একজন নাট্যকার হিসেবে অভিনেতা হিসাবে উভয় খ্যাতি অর্জনের পর, তিনি গ্লোব এবং ব্ল্যাক-ফ্রিয়ার থিয়েটারের অংশীদার হন। তার শ্রেণির সামাজিক ও অর্থনৈতিক আকাঙ্ক্ষা ভাগ করে, তিনি উচ্চাকাঙ্ক্ষার সাথে আত্মবিশ্বাসী হন, নিজেকে অস্ত্রোপচার করেন, লন্ডনে রিয়েল এস্টেট অর্জন করেন এবং স্ট্রাটফোর্ডের বৃহত্তম বাড়িটি কিনেছিলেন যেখানে তিনি 1611 সালে একজন ভদ্রলোকের জীবনযাপন করেছিলেন।



উপস্থিতির মতো উইলিয়াম শেক্সপীয়ার তার নিজের দিনে এত জনপ্রিয় ছিলেন না, কিন্তু জর্জ বার্নার্ড শো শেকসপিয়ার সম্পর্কে অত্যধিক প্রশংসার উল্লেখ করার জন্য 'বার্ডোল্যাট্রি' শব্দটি ব্যবহার করেছিলেন।

উইলিয়াম শেক্সপীয়ার প্রাথমিক জীবন:
উইলিয়াম শেক্সপীয়ারের জন্ম 23 এপ্রিল 1564 সালে ইংল্যান্ডের ওয়ারউইকশায়ার স্ট্রাটফোর্ড-এ-অ্যাভন। তাঁর পিতা জন শেক্সপীয়ার একজন সুপরিচিত কৃষক ছিলেন, তিনি স্ট্রাটফোর্ড-আপ-অ্যাভন শহরে চলে যান এবং মেরি আর্ডেনকে বিয়ে করেছিলেন। শেক্সপীয়ার কিংডম নিউ স্কুলে যোগ দেন তখন তিনি গ্রামার স্কুলে নথিভুক্ত হন।

উইলিয়াম শেক্সপীয়ার বিবাহ:
উইলিয়াম শেক্সপীয়ারের বয়স 18 বছর বয়সে 8 বছরের সিনিয়র অ্যানি হ্যাথওয়েয়ে বিয়ে করেন। ২6 বছর বয়সী এনি হ্যাথওয়ে বিয়ের সময় গর্ভবতী ছিলেন এবং বিবাহের 6 মাস পর তাঁর প্রথম সন্তান সুসান্না জন্মগ্রহণ করেন।



প্রথম লেখা:  Love’s Labour’s Lost

কমেডি:
All’s Well That Ends Well, As You Like It, The Comedy of Errors, Love’s Labor’s Lost, Measure for Measure, The Merchant of Venice, The Merry Wives of Windsor, A Midsummer Night’s Dream, Much Ado About Nothing, Pericles, Prince of Tyre , The Taming of the Shrew, The Tempest, Twelfth Night, The Two Gentlemen of Verona, The Two Noble Kinsmen, The Winter’s Tale

Histories:
King John, Richard II, Henry IV, Part 1, Henry IV, Part 2, Henry V, Henry VI, Part 1, Henry VI, Part 2, Henry VI, Part 3, Richard III, Henry VIII
Tragedies:Romeo and Juliet, Coriolanus, Titus Andronicus, Timon of Athens, Julius Caesar, Macbeth, Hamlet, Troilus and Cressida, King Lear, Othello, Antony, Cleopatra, Cymbeline.
মৃত্যু: 23 এপ্রিল 1616 (বয়স 52), স্ট্রাটফোর্ড-এ-অ্যাভন, ওয়ারউইকশায়ার, ইংল্যান্ড।

নেলসন ম্যান্ডেলা

Nelson Mandela
নেলসন ম্যান্ডেলা 

নেলসন ম্যান্ডেলা 

ফুল নাম: নেলসন রোলিহ্লাহলা ম্যান্ডেলা 
জন্ম তারিখ: 18 জুলাই, 1918 
জন্মস্থান: ট্রান্সকী, দক্ষিণ আফ্রিকা 
জাতীয়তা: দক্ষিণ আফ্রিকান 
বাসস্থান: গৌতমং, দক্ষিণ আফ্রিকা 
পেশা: নাগরিক অধিকার কর্মী, বিশ্ব নেতা 
রাজনৈতিক দল: আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেস 
পত্নী: ইভলিন নাটোকো মেস, উইনি মাদিকিজেলা, গ্রেচা ম্যাকেল 
বাচ্চাদের: 6 

নেলসন রোলিহ্লাহলা ম্যান্ডেলা 1994 সাল থেকে 1999 সাল পর্যন্ত দক্ষিণ আফ্রিকার রাষ্ট্রপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন এবং বিরোধী দলের নেতা - 1940 এর দশকে পার্থেদিড আন্দোলন। দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম কালো রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে তিনি 196২ থেকে 1990 সাল পর্যন্ত 27 বছর জেলে ছিলেন। তার জন্মদিন 18 জুলাই ম্যান্ডেলা দিবস ঘোষণা করা হয় এবং তিনি আন্তর্জাতিক শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রতীক হিসাবে 1993 সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন। 

ম্যান্ডেলা প্রাথমিক জীবন: 
নেলসন ম্যান্ডেলা 1918 সালের 18 জুলাই দক্ষিণ আফ্রিকার ট্রান্সকিতে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা, গাদলা হেনরি মফাকাননিসওয়া স্থানীয় রাজপুত্র এবং কাউন্সিলর ছিলেন, কিন্তু স্থানীয় ঔপনিবেশিক ম্যাজিস্ট্রেটের সাথে বিতর্কের কারণে তিনি চাকরি হারান। তিনি সাত বছর বয়সে মেথডিস্ট স্কুলে যোগ দেন তখন ম্যান্ডেলা একটি ওয়েসলিয়ান মিশন স্কুল এবং ক্লার্কবিউরি বোর্ডিং ইনস্টিটিউটে উপস্থিত ছিলেন। নেলসন তার জুনের সার্টিফিকেট মাত্র দুই বছরে সম্পন্ন করেন, তার স্বাভাবিক তিনটি জায়গায়। তিনি ফোর্ট হরে ইউনিভার্সিটির স্নাতকোত্তর আর্টস পান এবং লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর আইন লাভ করেন। 


ম্যান্ডেলা ক্যারিয়ার: 
ম্যান্ডেলা ২7 বছর জেলে সেবা করতে গিয়েছিলেন, দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবিদ্বেষ অপসারণের জন্য রব্বেন আইল্যান্ডে এই বেশ কয়েক বছর কাটিয়েছেন। ম্যান্ডেলা তার সহকর্মী আইনজীবী অলিভার তাম্বো সহ একটি আইনী সংস্থা ম্যান্ডেলা এবং তাম্বো প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, যা অনেক কালোদের জন্য বিনামূল্যে বা কম খরচে আইনি পরামর্শ প্রদান করেছিল। 1961 সালে নেলসন ম্যান্ডেলা এএনসি নেতা হয়ে ওঠে এবং বর্তমান সরকার কর্তৃপক্ষ বর্ণবিদ্বেষ শেষ করতে ব্যর্থ হলে তিনি গেরিলা যুদ্ধের পরিকল্পনা হিসাবে সরকারের বিরুদ্ধে সমালোচনামূলক প্রচারণা শুরু করেন। 11 ডিসেম্বর 1990 সালে জেল থেকে মুক্তি পেয়ে নেসেলেন ম্যান্ডেলাকে 27 বছরের জেল অব্যাহত রেখেছিল, যা সারা বিশ্বে সরাসরি সম্প্রচারিত হয়েছিল। লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে লন্ডনের স্নাতক ডিগ্রি অর্জনের পর বহিরাগত কর্মসূচির মাধ্যমে চিঠি পাঠিয়ে তিনি কারাগারে ছিলেন। কারাগার থেকে মুক্তির পর, ম্যান্ডেলা এএনসি-এর নেতৃত্বে ফিরে এলেন এবং 1 99 0 থেকে 1 99 4 সালের মধ্যে দলের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন এবং তিনি দেশের প্রথম বহু-জাতিগত নির্বাচনের সমন্বয়কারী ছিলেন। এই নির্বাচনে, এএনসি জিতেছে এবং আফ্রিকার ইতিহাসে ম্যান্ডেলা প্রথম কালো রাষ্ট্রপতি হয়েছেন। 

ম্যান্ডেলা ব্যক্তিগত জীবন: 
নেলসন ম্যান্ডেলা বিয়ে করেছিলেন ইভলিন ন্যটোকো মেসের সাথে, এই দম্পতি প্রথমে জোহানেসবার্গে এক অন্যের সাথে দেখা করেছিলেন কিন্তু 13 বছর পর তারা রাজনৈতিক কারণে রাজনৈতিক সম্পর্কের জন্য 1957 সালে তাদের সম্পর্ক ভেঙ্গে দিয়েছিল। প্রথমবারের মতো বিবাহের পর ম্যান্ডেলা দ্বিতীয়বারের মতো কালো সমাজকর্মী উইনি মাদিকিজেলা-ম্যান্ডেলার সাথে বিয়ে করেছিলেন, তবে তিনি প্রথমবার জোহানেসবার্গেও মিলিত হন, কিন্তু 1996 সালে তিনি রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের জন্য তালাকপ্রাপ্ত হন। 1998 সালে, তার 80 তম জন্মদিনে, ম্যান্ডেলা একটি বিধবা স্ত্রী, গ্রেসা ম্যাকেলের পুনর্বাসিত হন।

Tuesday, 27 November 2018

Mohanobi Biography

সংক্ষিপ্ত পরিচিতিঃ
যে মহামানবের সৃষ্টি না হলে এ ধরাপৃষ্ঠের কোনো কিছুই সৃষ্টি হতো না, যার পদচারণে লাখ পৃথিবী ধন্য হয়েছে; আল্লাহর প্রতি অগাধ বিশ্বাস ও ভালোবাসা, অন্তরের পবিত্রতা, আত্মার মহত্ত্ব, ধৈর্য্য, ক্ষমতা, সততা, নম্রতা, বদান্যতা, মিতাচার, আমানতদারি, সুরুচিপূর্ণ মনোভাব, ন্যায়পরায়ণতা, উদারতা ও কঠোর কর্তব্যনিষ্ঠা ছিল যার চরিত্রের ভূষণ; যিনি ছিলেন একাধারে ইয়াতিম হিসেবে সবার স্নেহের পাত্র, স্বামী হিসেবে প্রেমময়, পিতা হিসেবে স্নেহের আধার, সঙ্গী হিসেবে বিশ্বস্ত; যিনি ছিলেন সফল ব্যবসায়ী, দূরদর্শী সংস্কারক, ন্যায়বিচারক, মহৎ রাজনীতিবিদ বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)। তিনি এমন এক সময় পৃথিবীর বুকে আবির্ভূত হয়েছিলেন যখন আরবের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, নৈতিক ও ধর্মীয় অবস্থা অধঃপতনের চরম সীমায় নেমে গিয়েছিল।
জন্ম
৫৭০ খ্রিষ্টাব্দের ২৯ আগস্ট মোতাবেক ১২ রবিউল আউয়াল রোজ সোমবার প্রত্যুষে আরবের মক্কা নগরীতে সমভ্রান্ত কুরাইশ বংশে মাতা আমেনার গর্ভে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। প্রচলিত ধারনা মোতাবেক, উনার জন্ম ৫৭০ খৃস্টাব্দে। প্রখ্যাত ইতিহাসবেত্তা মন্টগোমারি ওয়াট তার পুস্তকে ৫৭০ সনই ব্যবহার করেছেন। তবে উনার প্রকৃত জন্মতারিখ বের করা বেশ কষ্টসাধ্য। তাছাড়া মুহাম্মদ(সা.) নিজে কোনো মন্তব্য করেছেন বলে নির্ভরযোগ্য কোনো প্রমান পাওয়া যায়নি. এজন্যই এ নিয়ে ব্যাপক মতবিরোধ রয়েছে। এমনকি জন্মমাস নিয়েও ব্যপক মতবিরোধ পাওয়া যায় । যেমন, এক বর্ণনা মতে, উনার জন্ম ৫৭১ সালের ২০ বা ২২ শে এপ্রিল। সাইয়েদ সোলাইমান নদভী, সালমান মনসুরপুরী এবং মোহাম্মদ পাশা ফালাকির গবেষণায় এই তথ্য বেরিয়ে এসেছে। তবে শেষোক্ত মতই ঐতিহাসিক দৃষ্টিকোণ থেকে বেশী নির্ভরযোগ্য। যাই হোক, নবীর জন্মের বছরেই হস্তী যুদ্ধের ঘটনা ঘটে এবং সে সময় সম্রাট নরশেরওয়ার সিংহাসনে আরোহনের ৪০ বছর পূর্তি ছিল এ নিয়ে কারো মাঝে দ্বিমত নেই। জন্মের ৫ মাস পূর্বে পিতা আবদুল্লাহ ইন্তেকাল করেন। আরবের তৎকালীন অভিজাত পরিবারের প্রথানুযায়ী তাঁর লালন-পালন ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব অর্পিত হয় বনী সা’দ গোত্রের বিবি হালিমার ওপর। এ সময় বিবি হালিমার আরেক পুত্রসন্তান ছিল, যার দুধ পানের মুদ্দত তখনো শেষ হয়নি। বিবি হালিমা বর্ণনা করেন ‘শিশু মুহামমদ কেবলমাত্র আমার ডান স্তনের দুধ পান করত। আমি তাঁকে আমার বাম স্তনের দুধ দান করতে চাইলেও, তিনি কখনো বাম স্তন হতে দুধ পান করতেন না।’ আমার বাম স্তনের দুধ তিনি তাঁর অপর দুধ ভাইয়ের জন্য রেখে দিতেন।’ দুধ পানের শেষ দিবস পর্যন্ত তাঁর এ নিয়ম বিদ্যমান ছিল। ইনসাফ ও সাম্যের মহান আদর্শ তিনি শিশুকালেই দেখিয়ে দিয়েছেন। মাত্র ৫ বছর তিনি ধাত্রী মা হালিমার তত্ত্বাবধানে ছিলেন। এরপর ফিরে আসেন মাতা আমেনার গৃহে। ৬ বছর বয়সে তিনি মাতা আমেনার সাথে পিতার কবর জিয়ারতের উদ্দেশ্যে মদিনা যান এবং মদিনা থেকে প্রত্যাবর্তনকালে ‘আবওয়া’নামক স্থানে মাতা আমেনা ইন্তেকাল করেন। এরপর ইয়াতিম মুহাম্মদ (সা.) এর লালন-পালনের দায়িত্ব অর্পিত হয় ক্রমান্বয়ে দাদা আবদুল মোত্তালিব ও চাচা আবু তালিবের ওপর। পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ যে মহামানব আবির্ভূত হয়েছেন সারা জাহানের রহমত হিসেবে; তিনি হলেন আজন্ম ইয়াতিম এবং দুঃখ-বেদনার মধ্য দিয়েই তিনি গড়ে ওঠেন সত্যবাদী, পরোপকারী এবং আমানতদারি হিসেবে।
শৈশব ও কৈশোর কাল
তত্কালীন আরবের রীতি ছিল যে তারা মরুভূমির মুক্ত আবহাওয়ায় বেড়ে উঠার মাধ্যমে সন্তানদের সুস্থ দেহ এবং সুঠাম গড়ন তৈরির জন্য জন্মের পরপরই দুধ পান করানোর কাজে নিয়োজিত বেদুইন মহিলাদের কাছে দিয়ে দিতেন এবং নির্দিষ্ট সময় পর আবার ফেরত নিতেন। এই রীতি অনুসারে মোহাম্মদকেও হালিমা বিনতে আবু জুয়াইবের (অপর নাম হালিমা সাদিয়া) হাতে দিয়ে দেয়া হয়। এই শিশুকে ঘরে আনার পর দেখা যায় হালিমার সচ্ছলতা ফিরে আসে এবং তারা শিশুপুত্রকে সঠিকভাবে লালনপালন করতে সমর্থ হন। তখনকার একটি ঘটনা উল্লেখযোগ্য – শিশু মোহাম্মদ কেবল হালিমার একটি স্তনই পান করতেন এবং অপরটি তার অপর দুধভাইয়ের জন্য রেখে দিতেন। দুই বছর লালনপালনের পর হালিমা শিশু মোহাম্মদকে আমিনার কাছে ফিরিয়ে দেন। কিন্তু এর পরপরই মক্কায় মহামারী দেখা দেয় এবং শিশু মুহাম্মাদকে হালিমার কাছে ফিরিয়ে দেয়া হয়। হালিমাও চাচ্ছিলেন শিশুটিকে ফিরে পেতে। এতে তার আশা পূর্ণ হল। ইসলামী বিশ্বাসমতে এর কয়েকদিন পরই একটি অলৌকিক ঘটনা ঘটে – একদিন শিশু নবীর বুক চিরে কলিজার একটি অংশ বের করে তা জমজম কূপের পানিতে ধুয়ে আবার যথাস্থানে স্থাপন করে দেয়া হয়। এই ঘটনাটি ইসলামের ইতিহাসে সিনা চাকের ঘটনা হিসেবে খ্যাত।

এই ঘটনার পরই হালিমা মুহাম্মাদকে মা আমিনার কাছে ফিরিয়ে দেন। ছয় বছর বয়স পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত তিনি মায়ের সাথে কাটান। এই সময় একদিন আমিনার ইচ্ছা হয় ছেলেকে নিয়ে মদীনায় যাবেন। সম্ভবত কোন আত্মীয়ের সাথে দেখা করা এবং স্বামীর কবর জিয়ারত করাই এর কারণ ছিল। আমিনা ছেলে, শ্বশুর এবং দাসী উম্মে আয়মনকে নিয়ে ৫০০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে মদীনায় পৌঁছেন। তিনি মদীনায় একমাস সময় অতিবাহিত করেন। একমাস পর মক্কায় ফেরার পথে আরওয়া নামক স্থানে এসে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং সেখানেই মৃত্যুবরণ করেন। মাতার মৃত্যুর পর দাদা আবদুল মোত্তালেব শিশু মুহাম্মাদকে নিয়ে মক্কায় পৌঁছেন। এর পর থেকে দাদাই মুহাম্মাদের দেখাশোনা করতে থাকেন। মোহাম্মদের বয়স যখন ৮ বছর ২ মাস ১০ দিন তখন তার দাদাও মারা যান। মৃত্যুর আগে তিনি তার পুত্র আবু তালিবকে মোহাম্মদের দায়িত্ব দিয়ে যান।
আবু তালিব ব্যবসায়ী ছিলেন এবং আরবদের নিয়ম অনুযায়ী বছরে একবার সিরিয়া সফরে যেতেন। মুহাম্মাদের বয়স যখন ১২ ব্ছর তখন তিনি চাচার সাথে সিরিয়া যাওয়ার জন্য বায়না ধরলেন। প্রগাঢ় মমতার কারণে আবু তালিব আর নিষেধ করতে পারলেননা। যাত্রাপথে বসরা পৌঁছার পর কাফেলাসহ আবু তালিব তাঁবু ফেললেন। সে সময় আরব উপদ্বীপের রোম অধিকৃত রাজ্যের রাজধানী বসরা অনেক দিক দিয়ে সেরা ছিল। কথিত আছে, শহরটিতে জারজিস সামে এক খ্রিস্টান পাদ্রী ছিলেন যিনি বুহাইরা বা বহিরা নামেই অধিক পরিচিত ছিলেন। তিনি তার গীর্জা হতে বাইরে এসে কাফেলার মুসাফিরদের মেহমানদারী করেন। এ সময় তিনি বালক মুহাম্মাদকে দেখে শেষ নবী হিসেবে চিহ্নিত করেন। ফুজ্জারের যুদ্ধ যখন শুরু হয় তখন নবীর বয়স ১৫ বছর। এই যুদ্ধে তিনি স্বয়ং অংশগ্রহণ করেন। যুদ্ধের নির্মমতায় তিনি অত্যন্ত ব্যথিত হন। কিন্তু তাঁর কিছু করার ছিলনা। সে সময় থেকেই তিনি কিছু একটি করার চিন্তাভাবনা শুরু করেন।
নবুয়ত-পূর্ব জীবন
আরবদের মধ্যে বিদ্যমান হিংস্রতা, খেয়ানতপ্রবণতা এবং প্রতিশোধস্পৃহা দমনের জন্যই হিলফুল ফুজুল নামক একটি সংগঠন প্রতিষ্ঠিত হয়। মুহাম্মাদ এতে যোগদান করেন এবং এই সংঘকে এগিয়ে নেয়ার ক্ষেত্রে তিনি বিরাট ভূমিকা রাখেন। বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা যায় তরুণ বয়সে মুহাম্মাদের তেমন কোন পেশা ছিলনা। তবে তিনি বকরি চরাতেন বলে অনেকেই উল্লেখ করেছেন। সাধারণত তিনি যে বকরিগুলো চরাতেন সেগুলো ছিল বনি সা’দ গোত্রের। কয়েক কিরাত পারিশ্রমিকের বিনিময়ে তিনি মক্কায় বসবাসরত বিভিন্ন ব্যক্তির বকরিও চরাতেন। এরপর তিনি ব্যবসায় শুরু করেন। মুহাম্মাদ অল্প সময়ের মধ্যেই একাজে ব্যাপক সফলতা লাভ করেন। এতই খ্যাতি তিনি লাভ করেন যে তার উপাধি হয়ে যায় আল আমিন এবং আল সাদিক যেগুলোর বাংলা অর্থ হচ্ছে যথাক্রমে বিশ্বস্ত এবং সত্যবাদী। ব্যবসায় উপলক্ষ্যে তিনি সিরিয়া, বসরা, বাহরাইন এবং ইয়েমেনে বেশ কয়েকবার সফর করেন। মুহাম্মাদের সুখ্যাতি যখন চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে তখন খাদীজা বিনতে খুওয়াইলিদ তা অবহিত হয়েই তাকে নিজের ব্যবসার জন্য সফরে যাবার অনুরোধ জানান। মুহাম্মাদ এই প্রস্তাব গ্রহণ করেন এবং খাদীজার পণ্য নিয়ে সিরিয়ার অন্তর্গত বসরা পর্যন্ত যান।

খাদীজা মাইছারার মুখে মুহাম্মাদের সততা ও ন্যায়পরায়ণতার ভূয়সী প্রশংশা শুনে অভিভূত হন। এছাড়া ব্যবসায়ের সফলতা দেখে তিনি তার যোগ্যতা সম্বন্ধেও অবহিত হন। এক পর্যায়ে তিনি মুহাম্মাদকে বিবাহ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। তিনি স্বীয় বান্ধবী নাফিসা বিনতে মুনব্বিহরের কাছে বিয়ের ব্যাপরে তার মনের কথা ব্যক্ত করেন। নাফিসার কাছে শুনে মুহাম্মাদ বলেন যে তিনি তার অভিভাবকদের সাথে কথা বলেন জানাবেন। মুহাম্মাদ তাঁর চাচাদের সাথে কথা বলে বিয়ের সম্মতি জ্ঞাপন করেন। বিয়ের সময় খাদীজার বয়স ছিল ৪০ আর মুহাম্মাদের বয়স ছিল ২৫। খাদীজার জীবদ্দশায় তিনি আর কোন বিয়ে করেননি। খাদীজার গর্ভে মুহাম্মাদের ৬ জন সন্তান জন্মগ্রহণ করে যার মধ্যে ৪ জন মেয়ে এবং ২ জন ছেলে। তাদের নাম যথাক্রমে কাসেম, যয়নাব, রুকাইয়া, উম্মে কুলসুম’, ফাতিমা এবং আবদুল্লাহ। ছেলে সন্তান দুজনই শৈশবে মারা যায়। মেয়েদের মধ্যে সবাই ইসলামী যুগ পায় এবং ইসলাম গ্রহণ করে এবং একমাত্র ফাতিমা ব্যতিত সবাই নবীর জীবদ্দশাতেই মৃত্যুবরণ করে।
মুহাম্মাদের বয়স যখন ৩৫ বছর তখন কা’বা গৃহের পূনঃনির্মাণের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। বেশ কয়েকটি কারণে কাবা গৃহের সংস্কার কাজ শুরু হয়। পুরনো ইমারত ভেঙে ফেলে নতুন করে তৈরি করা শুরু হয়। এভাবে পুনঃনির্মানের সময় যখন হাজরে আসওয়াদ (পবিত্র কালো পাথর) পর্যন্ত নির্মাণ কাজ শেষ হয় তখনই বিপত্তি দেখা দেয়। মূলত কোন গোত্রের লোক এই কাজটি করবে তা নিয়েই ছিল কোন্দল। নির্মাণকাজ সব গোত্রের মধ্যে ভাগ করে দেয়া হয়েছিল। কিন্তু হাজরে আসওয়াদ স্থাপন ছিল একজনের কাজ। কে স্থাপন করবে এ নিয়ে বিবাদ শুরু হয় এবং চার-পাঁচ দিন যাবৎ এ বিবাদ অব্যাহত থাকার এক পর্যায়ে এটি এমনই মারাত্মক রূপ ধারণ করে যে হত্যাকাণ্ড পর্যন্ত ঘটার সম্ভাবনা দেখা দেয়। এমতাবস্থায় আবু উমাইয়া মাখজুমি একটি সমাধান নির্ধারণ করে যে পরদিন প্রত্যুষে মসজিদে হারামের দরজা দিয়ে যে প্রথম প্রবেশ করবে তার সিদ্ধান্তই সবাই মেনে নেবে। পরদিন মুহাম্মাদ সবার প্রথমে কাবায় প্রবেশ করেন। এতে সবাই বেশ সন্তুষ্ট হয় এবং তাকে বিচারক হিসেবে মেনে নেয়। আর তার প্রতি সবার সুগভীর আস্থাও ছিল। যা হোক এই দায়িত্ব পেয়ে মুহাম্মাদ অত্যন্ত সুচারুভাবে ফয়সালা করেন। তিনি একটি চাদর বিছিয়ে তার উপর নিজ হাতে হাজরে আসওয়াদ রাখেন এবং বিবদমান প্রত্যেক গোত্রের নেতাদের ডেকে তাদেরকে চাদরের বিভিন্ন কোণা ধরে যথাস্থানে নিয়ে যেতে বলেন এবং তারা তা ই করে। এরপর তিনি পাথর উঠিয়ে নির্দিষ্ট স্থানে স্থাপন করেন।

নবুওয়ত প্রাপ্তি
চল্লিশ বছর বয়সে ইসলামের নবী মুহাম্মাদ নবুওয়ত লাভ করেন, অর্থাৎ এই সময়েই স্রষ্টা তার কাছে ওহী প্রেরণ করেন। নবুওয়ত সম্বন্ধে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যায় আজ-জুহরির বর্ণনায়। জুহরি বর্ণিত হাদীস অনুসারে নবী সত্য দর্শনের মাধ্যমে ওহী লাভ করেন। ত্রিশ বছর বয়স হয়ে যাওয়ার পর নবী প্রায়ই মক্কার অদূরে হেরা গুহায় ধ্যানমগ্ন অবস্থায় কাটাতেন। তাঁর স্ত্রী খাদিজা নিয়মিত তাঁকে খাবার দিয়ে আসতেন। এমনি এক ধ্যানের সময় ফেরেশতা জিব্রাইল তার কাছে আল্লাহ প্রেরিত ওহী নিয়ে আসেন। জিব্রাইল তাঁকে এই পংক্তি কটি পড়তে বলেন:

“পাঠ করুন, আপনার পালনকর্তার নামে যিনি সৃষ্টি করেছেন। সৃষ্টি করেছেন মানুষকে জমাট রক্ত থেকে। পাঠ করুন, আপনার পালনকর্তা মহা দয়ালু, যিনি কলমের সাহায্যে শিক্ষা দিয়েছেন, শিক্ষা দিয়েছেন মানুষকে যা সে জানত না।”
উত্তরে নবী জানান যে তিনি পড়তে জানেন না, এতে জিব্রাইল তাকে জড়িয়ে ধরে প্রবল চাপ প্রয়োগ করেন এবং আবার একই পংক্তি পড়তে বলেন। কিন্তু এবারও মুহাম্মাদ নিজের অপারগতার কথা প্রকাশ করেন। এভাবে তিনবার চাপ দেয়ার পর মুহাম্মাদ পংক্তিটি পড়তে সমর্থ হন। অবর্তীর্ণ হয় কুরআনের প্রথম আয়াত গুচ্ছ; সূরা আলাকের প্রথম পাঁচ আয়াত। প্রথম অবতরণের পর নবী এতই ভীত হয়ে পড়েন যে কাঁপতে কাঁপতে নিজ গ্রহে প্রবেশ করেই খাদিজাকে কম্বল দিয়ে নিজের গা জড়িয়ে দেয়ার জন্য বলেন। বারবার বলতে থাবেন, “আমাকে আবৃত কর”। খাদিজা নবীর সকল কথা সম্পূর্ণ বিশ্বাস করেন এবং তাঁকে নবী হিসেবে মেনে নেন। ভীতি দূর করার জন্য মুহাম্মাদকে নিয়ে খাদিজা নিজ চাচাতো ভাই ওয়ারাকা ইবন নওফেলের কাছে যান। নওফেল তাঁকে শেষ নবী হিসেবে আখ্যায়িত করে। ধীরে ধীরে আত্মস্থ হন নবী। তারপর আবার অপেক্ষা করতে থাকেন পরবর্তী প্রত্যাদেশের জন্য। একটি লম্বা বিরতির পর তাঁর কাছে দ্বিতীয় বারের মত ওহী আসে। এবার অবতীর্ণ হয় সূরা মুদ্দাস্‌সির-এর কয়েকটি আয়াত। এর পর থেকে গোপনে ইসলাম প্রচারে আত্মনিয়োগ করেন মুহাম্মাদ। এই ইসলাম ছিল জীবনকে সম্পূর্ণ বদলে দেয়ার জন্য প্রেরিত একটি আদর্শ ব্যবস্থা। তাই এর প্রতিষ্ঠার পথ ছিল খুবই বন্ধুর। এই প্রতিকূলততার মধ্যেই নবীর মক্কী জীবন শুরু হয়।

মক্কী জীবন
প্রত্যাদেশ অবতরণের পর নবী বুঝতে পারেন যে, এটি প্রতিষ্ঠা করতে হলে তাকে পুরো আরব সমাজের প্রতিপক্ষ হিসেবে দাঁড়াতে হবে; কারণ তৎকালীন নেতৃত্বের ভীত ধ্বংস করা ব্যাতীত ইসলাম প্রচার ও প্রতিষ্ঠার অন্য কোন উপায় ছিলনা। তাই প্রথমে তিনি নিজ আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধু-বান্ধবের মাঝে গোপনে ইসলামের বাণী প্রচার শুরু করেন। মুহাম্মাদের আহ্বানে ইসলাম গ্রহণকারী প্রথম ব্যক্তি ছিলেন খাদিজা। এরপর মুসলিম হন মুহাম্মাদের চাচাতো ভাই এবং তার ঘরেই প্রতিপালিত কিশোর আলী, ইসলাম গ্রহণের সময় তার বয়স ছিল মাত্র ১০ বছর। ইসলামের বাণী পৌঁছে দেয়ার জন্য নবী নিজ বংশীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিদের নিয়ে একটি সভা করেন; এই সভায় কেউই তাঁর আদর্শ মেনে নেয়নি, এ সভাতে শুধু একজনই ইসলাম গ্রহণ করে, সে হলো আলী। ইসলাম গ্রহণকারী তৃতীয় ব্যক্তি ছিল নবীর অন্তরঙ্গ বন্ধূ আবু বকর। এভাবেই প্রথম পর্যায়ে তিনি ইসলাম প্রচারের কাজ শুরু করেন। এবং এই প্রচারকাজ চলতে থাকে সম্পূর্ণ গোপনে।
প্রকাশ্য দাওয়াত
তিন বছর গোপনে দাওয়াত দেয়ার পর মুহাম্মাদ প্রকাশ্যে ইসলামের প্রচার শুরু করেন। এ ধরণের প্রচারের সূচনাটা বেশ নাটকীয় ছিল। নবী সাফা পর্বতের ওপর দাড়িয়ে চিৎকার করে সকলকে সমবেত করেন। এরপর প্রকাশ্যে বলেন যে, আল্লাহ ছাড়া কোন প্রভু নেই এবং মুহাম্মাদ আল্লাহ্‌র রাসূল। কিন্তু এতে সকলে তার বিরুদ্ধে প্রচণ্ড খেপে যায় এবং এই সময় থেকে ইসলামের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও অত্যাচার শুরু হয়।
মক্কায় বিরোধিতার সম্মুখীন
বিরুদ্ধবাদীরা কয়েকটি স্তরে নির্যাতন শুরু করে: প্রথমত উস্কানী ও উত্তেজনার আবহ সৃষ্টি, এরপর অপপ্রচার, কুটতর্ক এবং যুক্তি। এক সময় ইসলামী আন্দোলনকে সহায়হীন করার প্রচেষ্টা শুরু হয় যাকে সফল করার জন্য একটি নেতিবাচক ফ্রন্ট গড়ে উঠে। একই সাথে গড়ে তোলা হয় সাহিত্য ও অশ্লীল গান-বাজনার ফ্রন্ট, এমনকি একং পর্যায়ে মুহাম্মাদের সাথে আপোষেরও প্রচেষ্টা চালায় কুরাইশরা। কিন্তু মুহাম্মাদ তা মেনে নেননি; কারণ আপোষের শর্ত ছিল নিজের মত ইসলাম পালন করা, সেক্ষেত্র তার ইসলাম প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যই ভেস্তে যেতো।
ইথিওপিয়ায় হিজরত
ধীরে ধীরে যখন মুসলিমদের বিরুদ্ধে সহিংসতা চরম রূপ ধারণ করে, তখন নবী কিছু সংখ্যক মুসলিমকে আবিসিনিয়ায় হিজরত করতে পাঠান। সেখান থেকেও কুরাইশরা মুসলিমদের ফেরত আনার চেষ্টা করে, যদিও তৎকালীন আবিসিনিয়ার সম্রাট নাজ্জাশীর কারণে তা সফল হয়নি।
গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের ইসলাম গ্রহণ
এরপর ইসলামের ইতিহাসে যে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাটি ঘটে তা হল উমর ইবনুল খাত্তাবের ইসলাম গ্রহণ। নবী সবসময় চাইতেন যেন আবু জেহেল ও উমরের মধ্যে যেকোন একজন অন্তত ইসলাম গ্রহণ করে। তার এই ইচ্ছা এতে পূর্ণতা লাভ করে। আরব সমাজে উমরের বিশেষ প্রভাব থাকায় তার ইসলাম গ্রহণ ইসলাম প্রচারকে খানিকটা সহজ করে, যদিও কঠিন অংশটিই তখনও মুখ্য বলে বিবিচেত হচ্ছিল। এরপর একসময় নবীর চাচা হামযা ইসলাম গ্রহণ করেন। তার ইসলাম গ্রহণে আরবে মুসলিমদের আধিপত্য কিছুটা হলেও প্রতিষ্ঠিত হয়।
একঘরে অবস্থা
এভাবে ইসলাম যখন শ্লথ গতিতে এগিয়ে চলছে তখন মক্কার কুরাইশরা মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও তার অনুসারী সহ সহ গোটা বনু হাশেম গোত্রকে একঘরে ও আটক করে। তিন বছর আটক থাকার পর তারা মুক্তি পায়।
দুঃখের বছর ও তায়েফ গমন
কিন্তু মুক্তির পরের বছরটি ছিল মুহাম্মাদের জন্য দুঃখের বছর। কারণ এই বছরে খুব স্বল্প সময়ের ব্যবধানে তার স্ত্রী খাদিজা ও চাচা আবু তালিব মারা যায়। দুঃখের সময়ে নবী মক্কায় ইসলামের প্রসারের ব্যাপরে অনেকটাই হতাশ হয়ে পড়েন। হতাশ হয়ে তিনি মক্কা বাদ দিয়ে এবার ইসলাম প্রচারের জন্য তায়েফ যান (অবশ্য তায়েফ গমনের তারিখ নিয়ে মতভেদ রয়েছে)। কিন্তু সেখানে ইসলাম প্রচার করতে গিয়ে তিনি চূড়ান্ত অপমান, ক্রোধ ও উপহাসের শিকার হন। এমনকি তায়েফের লোকজন তাদের কিশোর-তরুণদেরকে মুহাম্মাদের (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পিছনে লেলিয়ে দেয়; তারা ইট-প্রস্তরের আঘাতে নবীকে রক্তাক্ত করে দেয়। কিন্তু তবুও তিনি হাল ছাড়েননি; নব নব সম্ভবনার কথা চিন্তা করতে থাকেন।
মি’রাজ তথা উর্দ্ধারোহন
এমন সময়েই কিছু শুভ ঘটনা ঘটে। ইসলামী ভাষ্যমতে এ সময় মুহাম্মাদ এক রাতে মক্কায় অবস্থিত মসজিদুল হারাম থেকে জেরুজালেমে অবস্থিত মসজিদুল আকসায় যান; এই ভ্রমণ ইতিহাসে ইসরা নামে পরিচিত। কথিত আছে, মসজিদুল আকসা থেকে তিনি একটি বিশেষ যানে করে উর্দ্ধারোহণ করেন এবং মহান স্রষ্টার সান্নিধ্য লাভ করেন, এছাড়া তিনি বেহেশ্‌ত ও দোযখ সহ মহাবিশ্বের সকল স্থান অবলোকন করেন। এই যাত্রা ইতিহাসে মি’রাজ নামে পরিচিত। এই সম্পূর্ণ যাত্রার সময়ে পৃথিবীতে কোন সময়ই অতিবাহিত হয়নি বলে বলা হয়।
মদীনায় হিজরত
এরপর আরও শুভ ঘটনা ঘটে। মদীনার বেশকিছু লোক ইসলামের প্রতি উৎসাহী হয়ে ইসলাম গ্রহণ করে। তারা মূলত হজ্জ্ব করতে এসে ইসলামে দাওয়াত পেয়েছিল। এরা আকাব নামক স্থানে মুহাম্মাদের কাছে শপথ করে যে তারা যে কোন অবস্থায় নবীকে রক্ষা করবে এবং ইসলামে প্রসারে কাজ করবে। এই শপথগুলো আকাবার শপথ নামে সুপরিচিত। এই শপথগুলোর মাধ্যমেই মদীনায় ইসলাম প্রতিষ্ঠার উপযোগী পরিবেশ সৃষ্টি হয় এবং একসময় মদীনার ১২ টি গোত্রের নেতারা একটি প্রতিনিধিদল প্রেরণের মাধ্যমে মুহাম্মাদকে (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মদীনায় আসার আমন্ত্রণ জানায়। মদীনা তথা ইয়াসরিবে অনেক আগে থেকে প্রায় ৬২০ সাল পর্যন্ত গোত্র গোত্র এবং ইহুদীদের সাথে অন্যদের যুদ্ধ লেগে থাকে। বিশেষত বুয়াছের যুদ্ধে সবগুলো গোত্র যুদ্ধে অংশ নেয়ায় প্রচুর রক্তপাত ঘটে। এ থেকে মদীনার লোকেরা বুঝতে সমর্থ হয়েছিল যে, রক্তের বিনিময়ে রক্ত নেয়ার নীতিটি এখন আর প্রযোজ্য হতে পারেনা। এজন্য তাদের একজন নেতা দরকার যে সবাইকে একতাবদ্ধ করতে পারবে। এ চিন্তা থেকেই তারা মুহাম্মাদকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল, যদিও আমন্ত্রণকারী অনেকেই তখনও ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেনি। এই আমন্ত্রণে মুসলিমরা মক্কা থেকে হিজরত করে মদীনায় চলে যায়। সবশেষে মুহাম্মাদ ও আবু বকর ৬২২ খ্রিস্টাব্দে মদীনায় হিজরত করেন। তাদের হিজরতের দিনেই কুরাইশরা মুহাম্মাদকে (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)হত্যার পরিকল্পনা করেছিল যদিও তা সফল হয়নি। এভাবেই মক্কী যুগের সমাপ্তি ঘটে।
মাদানী জীবন
নিজ গোত্র ছেড়ে অন্য গোত্রের সাথে যোগদান আরবে অসম্ভব হিসেবে পরিগণিত হত। কিন্তু ইসলামের দৃষ্টিতে সেরকম নয়, কারণ এক্ষেত্রে ইসলামের বন্ধনই শ্রেষ্ঠ বন্ধন হিসেবে মুসলিমদের কাছে পরিগণিত হত। এটি তখনকার যুগে একটি বৈপ্লবিক চিন্তার জন্ম দেয়। ইসলামী পঞ্জিকায় হিজরতের বর্ষ থেকে দিন গণনা শুরু হয়। এজন্য ইসলামী পঞ্জিকার বর্ষের শেষে AH উল্লেখিত থাকে যার অর্থ: After Hijra।
স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ও সংবিধান প্রণয়ন
মুহাম্মাদ মদীনায় গিয়েছিলেন একজন মধ্যস্থতাকারী এবং শাসক হিসেবে। তখন বিবদমান দুটি মূল পক্ষ ছিল আওস ও খাযরাজ। তিনি তার দায়িত্ব সুচারুরুপে পালন করেছিলেন। মদীনার সকল গোত্রকে নিয়ে ঐতিহাসিক মদীনা সনদ স্বাক্ষর করেন যা পৃথিবীর ইতিহাসে সর্বপ্রথম সংবিধান হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকে। এই সনদের মাধ্যমে মুসলিমদের মধ্যে সকল রক্তারক্তি নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়। এমনকি এর মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় নীতির গোড়াপত্তন করা হয় এবং সকল গোত্রের মধ্যে জবাবদিহিতার অনুভুতি সৃষ্টি করা হয়। আওস, খাযরাজ উভয় গোত্রই ইসলাম গ্রহণ করেছিল। এছাড়াও প্রধানত তিনটি ইহুদী গোত্র (বনু কাইনুকা, বনু কুরাইজা এবং বনু নাদির)। এগুলোসহ মোট আটটি গোত্র এই সনদে স্বাক্ষর করেছিল। এই সনদের মাধ্যমে মদীনা একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হন তার প্রধান।
মক্কার সাথে বিরোধ ও যুদ্ধ
মদীনায় রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পরপরই মক্কার সাথে এর সম্পর্ক দিন দিন খারাপ হতে থাকে। মক্কার কুরাইশরা মদীনা রাষ্ট্রের ধ্বংসের জন্য যুদ্ধংদেহী মনোভাব পোষণ করতে থাকে। মুহাম্মাদ(স)মদীনায় এসে আশেপাশের সকল গোত্রের সাথে সন্ধি চুক্তি স্থাপনের মাধ্যমে শান্তি স্থাপনে অগ্রণী ছিলেন। কিন্তু মক্কার কুরাইশরা গৃহত্যাগী সকল মুসলিমদের সম্পত্তি ক্রোক করে। এই অবস্থায় ৬২৪ সালে মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)৩০০ সৈন্যের একটি সেনাদলকে মক্কার একটি বাণিজ্যিক কাফেলাকে বাঁধা দেয়ার উদ্দেশ্যে পাঠায়। কারণ উক্ত কাফেলা বাণিজ্যের নাম করে অস্ত্র সংগ্রহের চেষ্টা করছিল। কুরাইশরা তাদের কাফেলা রক্ষায় সফল হয়। কিন্তু এই প্রচেষ্টার প্রতিশোধ নেয়ার জন্য যুদ্ধের ডাক দেয়। আত্মরক্ষামূলক এই যুদ্ধে মুসলিমরা সৈন্য সংখ্যার দিক দিয়ে কুরাইশদের এক তৃতীয়াংশ হয়েও বিজয় অর্জন করে। এই যুদ্ধ বদর যুদ্ধ নামে পরিচিত যা ৬২৪ খ্রিস্টাব্দের ১৫ মার্চ তারিখে সংঘটিত হয়। মুসলিমদের মতে এই যুদ্ধে আল্লাহ মুসলিমদের সহায়তা করেছিলেন। যাহোক, এই সময় থেকেই ইসলামের সশস্ত্র ইতিহাসের সূচনা ঘটে। এরপর ৬২৫ সালের ২৩ মার্চে উহুদ যুদ্ধ সংঘটিতে হয়। এতে প্রথম দিকে মুসলিমরা পরাজিত হলেও শেষে বিজয়ীর বেশে মদীনায় প্রবেশ করতে সমর্থ হয়। কুরাইশরা বিজয়ী হওয়া সত্ত্বেও চূড়ান্ত মুহূর্তের নীতিগত দূর্বলতার কারণে পরাজিতের বেশে মক্কায় প্রবেশ করে। ৬২৭ সালে আবু সুফিয়ান কুরাইশদের আরেকটি দল নিয়ে মদীনা আক্রমণ করে। কিন্তু এবারও খন্দকের যুদ্ধে মুসলিমদের কাছে পরাজিত হয়। যুদ্ধ বিজয়ে উৎসাহিত হয়ে মুসলিমরা আরবে একটি প্রভাবশালী শক্তিতে পরিণত হয়। ফলে আশেপাশের অনেক গোত্রের উপরই মুসলিমরা প্রভাব বিস্তারে সক্ষম হয়।
মদীনার ইহুদিদের সাথে সম্পর্ক
কিন্তু এ সময় মদীনার বসবাসকারী ইহুদীরা ইসলামী রাষ্ট্রের জন্য হুমকী হয়ে দেখা দেয়। মূলত ইহুদীরা বিশ্বাস করতনা যে, একজন অ-ইহুদী শেষ নবী হতে পারে। এজন্য তারা কখনই ইসলামের আদর্শ মেনে নেয়নি এবং যখন ইসলামী রাষ্ট্রের শক্তি বুঝতে পারে তখন তারা এর বিরুদ্ধে শক্তি প্রয়োগের প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করে। মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)প্রতিটি যুদ্ধের পরে একটি করে ইহুদী গোত্রের উপর আক্রমণ করেন। বদর ও উহুদের যুদ্ধের পর বনু কাইনুকা ও বনু নাদির গোত্র সপরিবারে মদীনা থেকে বিতাড়িত হয়; আর খন্দকের পর সকল ইহুদীকে মদীনা থেকে বিতাড়ন করা হয়। মুহাম্মাদের (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)এই ইহুদী বিদ্বেশের দুটি কারণের উল্লেখ পাওয়া যায়, একটি ধর্মীয় এবং অন্যটি রাজনৈতিক। ধর্মীয় দিক দিয়ে চিন্তা করলে আহলে কিতাব হয়েও শেষ নবীকে মেনে না নেয়ার শাস্তি ছিল এটি। আর রাজনৈতিকভাবে চিন্তা করলে, ইহুদীরা মদীনার জন্য একটি হুমকী ও দুর্বল দিক ছিল। এজন্যই তাদেরকে বিতাড়িত করা হয়।
হুদাইবিয়ার সন্ধি
মুহাম্মদ (সা.) হন ইসলামী প্রজাতন্ত্রের সভাপতি। তিনি যে একজন দূরদর্শী ও সফল রাজনীতিবিদ এখানেই তার প্রমাণ পাওয়া যায়। মদিনার সনদ নাগরিক জীবনে আমূল পরিবর্তন আনে এবং রাজনৈতিক ক্ষেত্রে স্থাপিত হয় ঐক্য। বিশ্বনবী (সা.) তলোয়ারের মাধ্যমে ইসলাম প্রতিষ্ঠা করেননি বরং উদারতার মাধ্যমেই ইসলাম প্রতিষ্ঠা করেছেন। তাঁর ও নবদীক্ষিত মুসলমানগণের (সাহাবায়ে কেরাম) চালচলন, কথাবার্তা, সততা ও উদারতায় মুগ্ধ হয়ে যখন দলে দলে লোকেরা ইসলাম গ্রহণ করতে লাগল তখন কুরাইশ নেতাদের মনে হিংসা ও শত্রুতার উদ্রেক হয়। অপরদিকে মদিনার কতিপয় বিশ্বাসঘাতক মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রাধান্য সহ্য করতে না পেরে গোপনভাবে ইসলাম ও মুসলমানদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করতে থাকে। কাফিরদের বিশ্বাসঘাতকতা ও ষড়যন্ত্রকে প্রতিহত করার জন্যই মুহাম্মদ (সা.) তলোয়ার ব্যবহার করতে বাধ্য হয়েছিলেন। ফলে ঐতিহাসিক বদর, উহুদ ও খন্দকসহ অনেকগুলো যুদ্ধ সংঘটিত হয় এবং এসব যুদ্ধের প্রায় সবগুলোতেই মুসলমানগণ জয়লাভ করেন। বিশ্বনবী (সা.) মোট ২৭টি যুদ্ধে প্রধান সেনাপতির দায়িত্ব পালন করেছিলেন। ৬২৭ খ্রিষ্টাব্দ মোতাবেক ষষ্ঠ হিজরিতে ১৪০০ নিরস্ত্র সাহাবিকে সঙ্গে নিয়ে মুহাম্মদ (সা.) মাতৃভূমি দর্শন ও পবিত্র হজ পালনের উদ্দেশ্যে মক্কা রওনা দেন। কিন্তু পথিমধ্যে কুরাইশ বাহিনী কর্তৃক বাধাপ্রাপ্ত হয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে একটি সন্ধিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, যা ইসলামের ইতিহাসে ‘হুদায়বিয়ার সন্ধি’ নামে পরিচিত। সন্ধির শর্তাবলির মধ্যে এ কথাগুলোও উল্লেখ ছিল যে-
(১) মুসলমানগণ এ বছর ওমরা আদায় না করে ফিরে যাবে
(২) আগামী বছর হজে আগমন করবে, তবে ৩ দিনের বেশি মক্কায় অবস্থান করতে পারবে না
(৩) যদি কোনো কাফির স্বীয় অভিভাবকের অনুমতি ব্যতীত মুসলমান হয়ে মদিনায় গমন করে তাহলে তাকে মক্কায় ফিরিয়ে দিতে হবে। পক্ষান্তরে মদিনা হতে যদি কোনো ব্যক্তি পলায়নপূর্বক মক্কায় চলে আসে তাহলে তাকে ফিরিয়ে দেয়া হবে না
(৪) প্রথম থেকে যে সকল মুসলমান মক্কায় বসবাস করছে তাদের কাউকে সাথে করে মদিনায় নিয়ে যাওয়া যাবে না।
(৫) আরবের বিভিন্ন গোত্রগুলোর এ স্বাধীনতা থাকবে যে, তারা উভয় পক্ষের (মুসলমান ও কাফির) মাঝে যাদের সঙ্গে ইচ্ছা সংযোগ স্থাপন করতে পারবে
(৬) সন্ধিচুক্তির মেয়াদের মধ্যে উভয় পক্ষ শান্তি ও নিরাপত্তার সাথে যাতায়াতের সম্পর্ক চালু রাখতে পারবে। এছাড়া কুরাইশ প্রতিনিধি সুহায়েল বিন আমর সন্ধিপত্র থেকে ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম’ এবং ‘মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ’ বাক্য দুটি কেটে দেয়ার জন্য দাবি করেছিল। কিন্তু সন্ধিপত্রের লেখক হযরত আলী (রা.) তা মেনে নিতে রাজি হলেন না। অবশেষে বিশ্বনবী (সা.) সুহায়েল বিন আমরের আপত্তির প্রেক্ষিতে ‘বিসমিল্লাহির রাহমানীর রাহীম’ এবং ‘মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ’ বাক্য দুটি নিজ হাতে কেটে দেন এবং এর পরিবর্তে সুহায়েল বিন আমরের দাবি অনুযায়ী ‘বিছমিকা আল্লাহুম্মা’ লিখতে নির্দেশ দেন। সুতরাং বাহ্যিক দৃষ্টিতে এ সন্ধি মুসলমানদের জন্য অপমানজনক হলেও তা মুহাম্মদ (সা.) কে অনেক সুযোগ ও সুবিধা ও সাফল্য এনে দিয়েছিল। এ সন্ধির মাধ্যমে কুরাইশরা মুহাম্মদ (সা.)-এর রাজনৈতিক সত্তাকে একটি স্বাধীন সত্তা হিসেবে স্বীকার করে নেয়। সন্ধির শর্তানুযায়ী অমুসলিমগণ মুসলমানদের সাথে অবাধে মেলামেশার সুযোগ পায়। ফলে অমুসলিমগণ ইসলামের মহৎ বাণী উপলব্ধি করতে থাকে এবং দলে দলে ইসলাম গ্রহণ করতে থাকে। এ সন্ধির পরই মুহাম্মদ (সা.) বিভিন্ন রাজন্যবর্গের নিকট ইসলামের দাওয়াত দিয়ে পত্র পাঠিয়েছিলেন.. 

Monday, 26 November 2018

তাইজুল ইসলাম Short biography



তাইজুল ইসলাম একজন জনপ্রিয় এবং সুপরিচিত বাংলাদেশি ক্রিকেটার যিনি ক্রিকেট বিশ্বের নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। তিনি সেরা বাংলাদেশি বামহাতি আধিপত্য স্পিনারদের মধ্যে একজন যিনি প্রথম ম্যাচে পাঁচ উইকেট নেন। প্রথমবারের মত প্রথম খেলোয়াড় হ্যাট্রিক বানিয়ে ইতিহাস গড়েন। ইসলাম একটি ঐতিহাসিক কর্মক্ষমতা মাত্র 7 টেস্ট ম্যাচে প্রায় 40 উইকেট গ্রহণ করে।


তাইজুল ইসলাম

তাজুল ইসলাম প্রাথমিক জীবন:
তাইজুল ইসলামের জন্ম 7 ফেব্রুয়ারি, 1 99২ সালে, নাটোর রাজশাহী বিভাগে একটি সাধারণ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি একটি নিচু পটভূমি ছিল এবং তার শৈশব মধ্যে একটি আর্থিক সংকট পাস। আর্থিক সংকটের কারণে তাকে স্কুল থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল। এক বছরের জন্য বি কে এস পি এ প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন ইসলাম।

তাইজুল ইসলাম ক্যারিয়ার:
বাংলাদেশ জাতীয় দলের টেস্ট ও ওডিআই ক্রিকেটের নিয়মিত সদস্য তাইজুল ইসলাম। ২013-14 মৌসুমের জন্য তিনি দেশীয় ক্রিকেট খেলেছিলেন। ২014 সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তার টেস্ট অভিষেক ঘটে। এই বছরে তিনি জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওডিআই অভিষেক করেন। আসলে, তিনি প্রথম ম্যাচে হ্যাটট্রিক নিয়ে ইতিহাস গড়েন। ২018 সালের প্রথম টেস্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে 6 উইকেট নিয়েছেন তিনি।



ব্যক্তিগত জীবন:
ব্যক্তিগত জীবনে, তাইজুল ইসলাম একজন বিবাহিত ব্যক্তি এবং একটি পুত্রের পিতা।


সম্পূর্ণ নাম তাইজুল ইসলাম
নিক নাম তাইজুল
জন্ম তারিখ ফেব্রুয়ারী 7, 1992
জন্মস্থান নাটোর জেলা, বাংলাদেশ
জাতীয়তা বাংলাদেশী

পেশা ক্রিকেটার
বছর সক্রিয় 2014-বর্তমান
ধর্ম ইসলাম
রাশিচক্র সাইন অ্যাকুয়ারিয়াম



দৈহিক পরিমাপ

উচ্চতা 5 ফুট 5 ইঞ্চি
167 সেন্টিমিটার
1.67 মিটার
ওজন 61 কেজি
বুকে 38 ইঞ্চি
কোমর 32 ইঞ্চি
Biceps 14 ইঞ্চি
চোখের রঙ বাদামী
চুলের রঙ কালো

ব্যক্তিগত সম্পর্ক:

বৈবাহিক অবস্থা: বিবাহিত

ক্যারিয়ার প্রোফাইল

ওয়ানডে অভিষেক 1 ডিসেম্বর, ২014 জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে
টেস্ট অভিষেক সেপ্টেম্বর 5, 2014 ওয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ
টি -২0 ডেবট এন / এ
ভূমিকা বোলার বাজানো
ব্যাটিংয়ের স্টাইল বাম হাতের ব্যাট
বোলিং স্টাইল ধীর বাম হাত অর্ধবৃত্তাকার
বেতন 100000 টাকা
নেট মূল্য $ 1 মিলিয়ন
শিক্ষা

সর্বোচ্চ ডিগ্রী ক্লাস 10
স্কুল বি কে এস এস (বাংলাদেশ ক্রীরা শিক্ষা প্রতিবাদ)
ক্রিকেটে প্রশিক্ষিত

মহাত্মা গান্ধী Biography

Mahatma Gandhi




মহাত্মা গান্ধী

জন্ম তারিখ: ২ অক্টোবর, 1869
facebook Click Here



হাত্মা গান্ধী

পূর্ণ নাম: মোহনদাস করমচন্দ গান্ধী
মৃত্যু তারিখ: 30 জানুয়ারি, 1948 (78 বছর বয়সী)
জন্মস্থান: পোরবন্দর, ব্রিটিশ ভারত
শিক্ষা: বিশ্ববিদ্যালয় লন্ডন
পেশা: আইনজীবী, রাজনীতিবিদ
পত্নী (সাঃ): কস্তুরাই মাখানজি কাপাদিয়া
ধর্ম: হিন্দু ধর্ম
রাশিচক্র চিহ্ন: লিও

মহান্দাস করমচন্দ গান্ধী কখনও একজন ভারতীয় বিশিষ্ট রাজনৈতিক নেতা ছিলেন, তিনি বিশ্বের সর্বত্র 'মহাত্মা গান্ধী' হিসাবে পরিচিত। গান্ধী ছিলেন নেতৃস্থানীয় ভারতীয় স্বাধীনতা ক্রুসেড নেতা এবং একটি অগ্রগামী আধ্যাত্মিক নেতা যিনি সত্যগ্রাহ আন্দোলন প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। এই আন্দোলনের মাধ্যমে, জনসাধারণের অবাধ্যতা ব্রিটিশ শাসনের একনায়কতন্ত্রের বিরুদ্ধে ঘোষণা করা হয়। এটি অহিংসা তত্ত্বের দর্শনে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এবং আন্দোলনটি ছিল ভারতীয় স্বাধীনতা আন্দোলন বা একটি চালিকা শক্তি, এবং জনগণের আন্দোলনের অনুপ্রেরণা, সারা বিশ্বের স্বাধীনতার অধিকার।

মহাত্মা গান্ধী প্রাথমিক জীবন ও শিক্ষা:
২ অক্টোবর, 1869 সালে মহাত্মা গান্ধী পোরবন্দর, ব্রিটিশ ভারতে পিতা, করমচন্দ গান্ধী ও মা, পুতলিবায়ে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি কারমচন্ডের চতুর্থ স্ত্রী ছিলেন, প্রথমত প্রতিটি দুই স্ত্রী একটি মেয়েকে জন্ম দিয়েছিলেন, অজ্ঞাত কারণে তারা মারা গিয়েছিল। তাঁর পিতা করমচন্দ পোরবন্দর দেওয়ান (মুখ্যমন্ত্রী) ছিলেন। ভক্ত মা দ্বারা প্রভাবিত হয়ে, গান্ধী প্রাথমিক জীবন থেকে স্বয়ংসম্পূর্ণতা জন্য নিরামিষ খাদ্য, অহিংসা এবং রোজা সম্পর্কে জানতে শুরু করেন। স্কুলে পড়াশোনা মহাত্মা গান্ধী ছিলেন একজন মধ্যবিত্ত ছাত্র, 1887 সালে ভাভনগর রাজ্যে সামলদাস কলেজ থেকে ম্যাট্রিকেশন পাস করেন, তবে কলেজ জীবনে তিনি খুশি ছিলেন না। মহাত্মা গান্ধীর পরিবার তাকে একজন ব্যারিস্টার হতে চেয়েছিলেন, তাই 188২ সালে 18 বছর বয়সে 18 বছর বয়সে লন্ডনে যান এবং আইন লন্ডনে পড়াশোনা করার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় লন্ডনে নথিভুক্ত হন। কিন্তু রয়েল লন্ডন তাকে স্পর্শ করতে পারল না, এখনও তিনি শহরে স্বাভাবিক জীবন অব্যাহত রেখেছিলেন।



মহাত্মা গান্ধী ক্যারিয়ার:
ব্রিটিশ শিক্ষিত আইনজীবী, গান্ধী প্রথমে তার নাগরিক অধিকারের জন্য দক্ষিণ আফ্রিকার ভারতীয় সম্প্রদায়ের অহিংস, শান্তিপূর্ণ নাগরিক অবাধ্যতা নিযুক্ত করেছিলেন। ভারতে ফিরে আসার পর, তিনি অত্যাচারমূলক কর ও ব্যাপক বৈষম্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার জন্য কিছু দরিদ্র কৃষক ও শ্রমিকের সাথে একটি আন্দোলন গঠন করেন। যখন ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের নেতৃত্বে নেতৃত্ব আসে, গান্ধী দারিদ্র্য বিমোচন, নারী স্বাধীনতা, বিভিন্ন জাতিগত গোষ্ঠীর মধ্যে প্রতিষ্ঠিত ভ্রাতৃত্ব, জাতি বৈষম্য এবং অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি দূর করার বিষয়ে ভারতে প্রচার করতে শুরু করেন। কিন্তু এটি ছিল 'স্বরাজ' যা ভারতকে বিদেশী আধিপত্য থেকে মুক্ত করে।

1930 সালে গান্ধী ভারতের দালাল লবণের (400 কিলোমিটার) দ্যানী সল্ট মার্চ নেতৃত্বে ভারতের লবণ করের বিরুদ্ধে 19২4 সালে ব্রিটিশ শাসকদের বিরুদ্ধে প্রথম প্রচেষ্টা ছিল। গান্ধীকে বিভিন্ন কারণে দক্ষিণ আফ্রিকায় এবং ভারতবর্ষে বেশ কয়েকবার কারাগারে বন্দি করা হয়েছিল। সব পরিস্থিতিতে, তিনি অহিংসা ও সত্য ছিলেন এবং স্বাভাবিক জীবনযাপন করেছিলেন, সাধারণ নিরামিষ খাবার খাচ্ছিলেন। আমেরিকান প্রেসিডেন্ট মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র তার অহিংস তত্ত্ব দ্বারা প্রভাবিত হয়।

মহাত্মা গান্ধী ব্যক্তিগত জীবন:
1883 সালে মাত্র 13 বছর বয়সে মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী 14 বছর বয়সী কাষ্টুরবাঈ মাখানজি কাপাদিয়া বিয়ে করেন। এই অঞ্চলে বাল্যবিবাহের ব্যবস্থা করে বিবাহের অর্থ বুঝার পূর্বে তিনি বিয়ে করেছিলেন, তিনি কেবল নতুন মিষ্টি পোশাক পরে এবং আত্মীয়স্বজনদের সঙ্গে খেলার, মিষ্টি খাওয়ার ধারনা উপলব্ধি করেছিলেন। গান্ধী তার প্রাথমিক বিবাহের কারণে স্কুলে এক বছর হারালেন। তাঁর স্ত্রী হরিলাল, মানিলাল, রামদাস ও দেবদাস নামে চার পুত্রের জন্ম দেন।

John F. Kennedy Biography



John F. Kennedy



John F. Kennedy
John F. Kennedy
সম্পূর্ণ নাম: জন ফিটজারগার্ড কেনেডি(
John F. Kennedy)
জন্ম তারিখ: ২0 জানুয়ারি, 1961
জন্মস্থান: ব্রুকাইন, ম্যাসাচুসেটস
শিক্ষা: হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়
পেশা: রাজনীতিবিদ
রাজনৈতিক দল: গণতান্ত্রিক
পত্নী (গুলি): Jacquline Bouiver
ধর্ম: রোমান ক্যাথলিক

জন এফ কেনেডি যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম নির্বাচিত প্রথমতম রাষ্ট্রপতি ছিলেন যিনি 1963 সালে নিহত হন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় তিনি মোটর টর্পেডো নৌকা পিটি -109 এর কমান্ডার ছিলেন। তাঁর পিতার অনুপ্রেরণার দ্বারা তিনি রাজনীতিতে আসেন এবং 1961 সালে প্রথম ক্যাথলিক হিসাবে রাষ্ট্রপতি হন। জন এফ কেনেডি প্রথম আইরিশ আমেরিকান এবং যুক্তরাষ্ট্রে দ্বিতীয় যুব রাষ্ট্রপতি।

জন এফ কেনেডি প্রাথমিক জীবন ও শিক্ষা:
জন এফ কেনেডি জন্ম ২0 জানুয়ারি, 1961 সালে ম্যাসাচুসেটস থেকে জোসেফ প্যাট্রিক 'জো' কেনেডি এবং রোজ এলিজাবেথ ফিটজগার্ড-কেনেডিতে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি একটি বিখ্যাত ক্যাথলিক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। জন এর পিতা জোসেফ প্যাট্রিক 'জো' কেনেডি একটি আলু ব্যবসায়ী ছিলেন, পরে তিনি রাজনীতিতে প্রবেশ করেন এবং ইউরোপের বিভিন্ন দেশে রাষ্ট্রদূত হিসাবে ভূমিকা পালন করেন। তার মা, রোজ এলিজাবেথ ফিৎসগার্ডাল-কেনেডি একজন সমাজকর্মী ছিলেন। কেনেডি এর দাদা আয়ারল্যান্ড থেকে আলু ব্যবসায় যুক্তরাষ্ট্রে এসেছিলেন। তিনি ব্রুকলাইনের শৈশব শৈশবে পাস করেন, ব্রুকলাইনের এডওয়ার্ড ভক্তি স্কুল থেকে প্রাথমিক শিক্ষা গ্রহণ করেন। 1937 সালে কেনেডি হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটি কলেজে নথিভুক্ত হন।



জন এফ কেনেডি রাজনৈতিক ক্যারিয়ার:
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জন এফ কেনেডি বাম সামরিক চাকরিতে রাজনীতিতে প্রবেশ করেন। ডেমোক্রেট হিসাবে, জন এফ কেনেডি 1947 থেকে 1953 সাল পর্যন্ত মার্কিন হাউস অব রিপ্রেজেন্টেজেটে ম্যাসাচুসেটসের 11 তম কংগ্রেসনাল জেলার প্রতিনিধিত্ব করেন। তারপরে, কেনেডি মার্কিন সেনেটে 1953 থেকে 1960 সাল পর্যন্ত পরিবেশিত হন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জন এফ কেনেডি রিচার্ড নিক্সনকে পরাজিত করেছিলেন , থিওডোর রোজভেল্টের পর যুক্তরাষ্ট্রে ইতিহাসে দ্বিতীয় নবীনতম রাষ্ট্রপতি হিসাবে নির্বাচিত হয়েছেন। ইতিহাসে প্রথম ক্যাথলিক হিসাবে শুধুমাত্র 43 বছর বয়সে ও পুলিৎজার পুরস্কার পায় এমন একমাত্র রাষ্ট্রপতি হিসাবে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি হন। ২২ নভেম্বর, 1963 সালে জন এফ কেনেডিকে টেক্সাসে হত্যা করা হয়। এ প্রসঙ্গে, লি হার্ভি ওসওয়াল ফৌজদারি অপরাধী ছিলেন।

ব্যক্তিগত জীবন:
জন এফ কেনেডি বিভিন্ন মহিলাদের সঙ্গে অনেক প্রেম সম্পর্ক ছিল। প্রথমে তিনি ড্যানিশ সাংবাদিক ইনগা আরাওয়াদের সাথে ডেট করেছিলেন। জন এফ কেনেডি এর সবচেয়ে আলোচিত প্রেমের সম্পর্ক ম্যারিলিন মনরোয়ের প্রতি ভালোবাসা ছিল। তার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের অল্পসময়, কেনেডি জ্যাকলিন বুউয়ের নামে ডিনার পার্টিতে একটি সুন্দর ভদ্রমহিলা সাথে দেখা করেন, এই নারীকে 1953 সালের 1২ সেপ্টেম্বর বিবাহিত করে।

আমেরিকান প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিঙ্কন Biography

Abraham Lincoln
আব্রাহাম লিঙ্কন



আব্রাহাম লিঙ্কন

পূর্ণ নাম: আব্রাহাম লিঙ্কন
জন্ম তারিখ: ফেব্রুয়ারী 12, 1809,
জন্মস্থান: হডজেনভিল, কেনটাকি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
মৃত্যু: 15 এপ্রিল, 1865 (বয়স 56)
নাগরিকত্ব: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
পেশা: যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি, আইনজীবী
রাজনৈতিক দল: রিপাবলিকান (1854-1865)
স্বামী / স্ত্রী: মেরি টড (এম। 1842-1865)
শিশুঃ রবার্ট, এডওয়ার্ড, উইলিয়াম, টাদ

আব্রাহাম লিঙ্কন সর্বশ্রেষ্ঠ নায়কদের একজন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের 16 তম রাষ্ট্রপতি ছিলেন। লিঙ্কন তার দেশের সমালোচনামূলক পরিস্থিতিতে নেতৃত্বে ছিল। 1865 সালের এপ্রিল মাসে তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে তাঁর খুন হওয়া পর্যন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সেবা করেন। লিঙ্কনটি একটি দরিদ্র পরিবারে এবং বেশিরভাগ স্ব-শিক্ষিত ছিল। তিনি একজন আইনজীবী ও হোগ পার্টি নেতা হয়েছিলেন। তিনি সরানো দাসত্ব জন্য ব্যাপকভাবে সুপরিচিত।

আব্রাহাম লিঙ্কন প্রাথমিক জীবন:
আব্রাহাম লিঙ্কন জন্ম 1২ ফেব্রুয়ারি 1809, থমাস লিঙ্কন এবং ন্যান্সি লিঙ্কন। পরিবার সুখের জন্য ওহিও নদী জুড়ে উত্তরে চলে গেল। 1818 সালে লিঙ্কন এর নয় বছর বয়সে দুধ অসুস্থতার কারণে তাঁর মা ন্যান্সি লিঙ্কন মারা যান। থমাস লিঙ্কন 191২ সালে বিয়ে করেন, বিধবা সারাহ বুশ জনস্টন যিনি তিন সন্তানের মা ছিলেন। লিংকনের সম্পর্ক তার সাধুমাথার সাথে খুব ভালো ছিল, এবং সারাকে 'মা' বলে উল্লেখ করেছিলেন। যদিও তার বাবা-মা বেশিরভাগ অশিক্ষিত ছিল, তবু লিংকনকে অধ্যয়ন করতে উৎসাহিত করেছিল। কিন্তু লিঙ্কন কোন প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা শেষ করতে পারেনি।



আব্রাহাম লিঙ্কন ক্যারিয়ার:
গৃহযুদ্ধে তার জড়িততা একটি বড় সমস্যা, এই কারণে, বিশ্ব তাকে ভুলে যাবে না। তিনি গৃহযুদ্ধের সময় উদ্ধৃত করেছেন: 'আমরা এখানে অত্যন্ত সংকল্পবদ্ধ যে এই মৃতেরা নিরর্থকভাবে মারা যাবে না যে, এই জাতি, ঈশ্বরের অধীনে, স্বাধীনতার নতুন জন্ম হবে এবং জনগণের সরকার, জনগণের দ্বারা , মানুষের জন্য, পৃথিবী থেকে নষ্ট হবে না। '
জন উইলকস বুথ মেরিল্যান্ডের একজন সুপরিচিত অভিনেতা এবং কনফেডারেট গুপ্তচর লিঙ্কনকে 14 এপ্রিল 1965 সালে ওয়াশিংটন ডি.সি. এর ফোর্ড থিয়েটারে লিঙ্কনকে হত্যা করেছিলেন, লিঙ্কনকে হত্যার কারণ হিসেবে তিনি কালোদের ভোটদান অধিকার প্রচার করতে চেয়েছিলেন। জন উইলকস বুথ যিনি যেকোনভাবে দক্ষিণে সাহায্য করছেন বলে মনে করেন। লিঙ্কন এর মৃত্যুর সাথে, শান্তি সম্ভাবনা মারা গেছে।


“I walk slowly, but I never walk backward.”

হযরত উমর ফারুক (রাঃ) Biography

হযরত উমর ফারুক (রাঃ)


হযরত উমর ফারুক

সম্পূর্ণ নাম: হযরত উমর ফারুক (রাঃ)
জন্ম তারিখ: 577 সিই
জন্মস্থান: মক্কা, সৌদি আরব
শিক্ষা: সাহিত্য
পেশা: খলীফা
পূর্বসুরীঃ আবু বকর
পত্নী (সাঃ): জয়নব বিন মাজুন
ধর্ম: ইসলাম

হযরত উমর ফারুক হযরত মুহাম্মদ (সা।) এর একটি বিশিষ্ট ও প্রভাবশালী শাব ছিলেন। ইসলাম তাঁর দ্বিতীয় আমলে ইসলামের দ্বিতীয় খলিফ হিসেবে কাজ করেছিল, ইসলাম সমৃদ্ধি অর্জন করেছিল, অসংখ্য যুদ্ধ জিতেছিল, সমগ্র সাম্রাজ্য জুড়ে শান্তিপূর্ণ পরিস্থিতি ছিল। প্রথমতঃ তিনি অমুসলিম ছিলেন, যখন তিনি ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন, তারপরে 'আল ফারুক' শিরোনামটি তাকে দেওয়া হয়েছিল যা সত্য ও ভুলের মধ্যে পার্থক্য করে।

হযরত উমর ফারুক প্রাথমিক জীবন:
হযরত উমর ফারুকের জন্ম 577 খ্রিস্টাব্দে সৌদি আরবের মক্কায় বাবা, খাত্তাব ইবনে নুফাইল ও মা হান্টামা বিন হিশামের জন্ম হয়। উমর একজন সুশিক্ষিত ব্যক্তি ছিলেন, যা আরব দেশে সময়ের বিরল ঘটনা ছিল, শিক্ষিত ব্যক্তিদের অনেক সম্মান ছিল। তিনি তার কিশোর বছর, মার্শাল আর্ট শিখেছি। উমর সাহসী, সুস্থ শক্তিশালী মানুষ এবং একজন বিখ্যাত কুস্তিগীর ছিলেন। ইসলাম গ্রহণের পূর্বে তিনি মদ পান করেছিলেন, কিন্তু ইসলাম গ্রহণের পর অনেকেই এর বর্ণনা অনুযায়ী ওয়াইন স্পর্শ করেননি।



উমার ক্যারিয়ার:
610 সালে, মুহাম্মদ ইসলামের বার্তা প্রকাশ করতে শুরু করলেন কিন্তু উমর মোহাম্মদ এর কর্মী বিরোধিতা করেন, মোহাম্মদকে হত্যা করার হুমকি দেন। একদিন, তিনি হাত থেকে তরোয়াল নিয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে গিয়ে মোহাম্মদকে মেরে ফেলার চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু সে জানত যে, ইতিমধ্যেই তার বোন ও তার স্বামী ইসলাম গ্রহণ করেছিল, ফলে সে আরও ক্ষিপ্ত হয়ে উঠলো, সে বোনের ঘরে পৌছে গিয়ে কুরআনের মিষ্টি সুর শুনতে পেল। । কুরআনের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে তিনি ইসলামের ধর্ম গ্রহণ করেন।

উমর 643 সালে খলিফা হয়ে ওঠে 6 সেপ্টেম্বর, 644 পর্যন্ত যখন তিনি ফার্সি দাস দ্বারা মদীনায় নিহত হন তখন পর্যন্ত ক্ষমতা বজায় রাখা হয়। মৃত্যুর পরে উমর তার উত্তরাধিকারীকে বেছে নেওয়ার জন্য ছয় সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেন। কমিটি 644 থেকে 665 সাল পর্যন্ত শাসিত তৃতীয় খলিফা ওসমানকে বেছে নিল।

উমরের শাসনব্যবস্থা ছিল বিশ্বের সুবর্ণ যুগ, এই সময়ে কোন দ্বন্দ্ব ও বিরোধ ছিল না। ভারতীয় অহিংস আন্দোলনের নেতা মহাত্মা গান্ধী বলেন, ভারত যদি উমরের মতো নেতা হয়ে যায় তবে ভারতের সব সমস্যার সমাধান হবে।

তানজিন তিশা biography





তানজিন তিশা
Tanjin Tisha
তানজিন তিশা
সম্পূর্ণ নাম: তানজিন তিশা
জন্ম তারিখ: ২5 মে, 1993
জন্মস্থান: সিদ্ধেশ্বরী, ঢাকা
শিক্ষা: সিদ্ধেশশাহী গার্লস হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ
পেশা: মডেল
বছর সক্রিয়: 2012-বর্তমান
পত্নী (গুলি): NA
ধর্ম: ইসলাম
রাশিচক্র চিহ্ন: Aquarius

তানজিন তিশা একজন বাংলাদেশী অভিনেত্রী এবং মডেল যিনি মূলত প্রচার মাধ্যম, নাটক, সংগীত ভিডিও এবং চলচ্চিত্রের মতো বেশিরভাগ শাখাগুলিতে আসেন। সুন্দর অভিনেত্রী সহজে খুব অল্প সময়ের মধ্যে তার ভয়ঙ্কর কর্মক্ষমতা দ্বারা মানুষের মনোযোগ আকর্ষণ। তিনি সারা দেশে টাইমলাইনে নাটক 'ইউ টার্ন' নিয়ে আসেন।

তানজিন তিশা প্রারম্ভিক জীবন:
তানজিন তিশা 1 99 3 সালের ২5 মে ঢাকায় সিদ্ধেশ্বরীতে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি শৈশব থেকেই মিডিয়া শিল্প সম্পর্কে খুব উত্সাহী ছিল। তানজিনের শৈশব থেকেই নাচ শিখতে শুরু করলেন। কিন্তু তার পরিবার অধ্যয়ন জন্য তার মিডিয়া আবেগ বন্ধ। তিনি সিদ্ধেশশাহী গার্লস হাই স্কুল ও কলেজ থেকে এইচএসসি সম্পন্ন করেন। এখন কোন অভিনেত্রী বাংলাদেশের কোনও প্রখ্যাত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে চলচ্চিত্র ও মিডিয়াতে পড়াশোনা করার চেষ্টা করছেন।



তানজিন তিশা ক্যারিয়ার:
তানজিন তিশা ২011 সালে র্যাম্প মডেলিংয়ের মাধ্যমে প্রচার মাধ্যমের আড়ালে যাত্রা শুরু করেছিলেন। তানজিনের ছবির শট আঁকা বিখ্যাত পরিচালক অমিতাভ রেজা চৌধুরীর মনোযোগের পাশাপাশি তিনি রবি'র বিজ্ঞাপনে সুযোগ পান। তারপর তিনি একটি পেশা ফিরে তাকান না। তানজিন ২014 সালে জনপ্রিয় নাটক 'ইউ টার্ন' নিয়ে নাটক শিল্পে আত্মপ্রকাশ করেছিলেন যা সারা দেশ জুড়ে জনপ্রিয় ছিল। সমালোচক ও দর্শকদের কাছ থেকে তিনি ইতিবাচক অভিনন্দন পেয়েছিলেন এবং নাটক অভিনেত্রীর জন্য মেরিল প্রথম অ্যাল অ্যাওয়ার্ডস প্রকাশ করেছিলেন।

ইতোমধ্যে তানজিন অনেক নাটক, সঙ্গীত ভিডিও এবং টিভি সি-তে অভিনয় করেছেন। তিনি স্বল্প মেয়াদী কর্মজীবনের মধ্যে বাংলাদেশের মিডিয়া শিল্পে দৃঢ়ভাবে তার নাম প্রতিষ্ঠা করেন। তানজিন বিভিন্ন জনপ্রিয় নাটক যেমন 'ময়না তিয়া', 'পলতা হাওয়া', 'ওমিম্যান্সিতো সোটো', 'ইও সোহোর মৈেরা ইউকা', ওচেনা বন্ডু, 'গ্রীন কার্ড', 'কোরবান আলীর কোরবানী' এবং 'চকলেট বয়'।

তানজিন বেশ কয়েকটি জনপ্রিয় টিভি সিটিতে উপস্থিত ছিলেন, যার মধ্যে রয়েছে 'প্যারাসিট তেল', 'কারমো গদি', 'তিব্বত সৌন্দর্য সাবান', রবি, 'ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড', 'পোলার আইস ক্রিম' এবং 'ফ্রেশ পানীয় জল'। তিনি কিছু জনপ্রিয় সঙ্গীত ভিডিও হাজির। গান্ধী ইমরানের সাথে গানটি 'বোল্তে বলতে চোল্তে চোল্তে' তার তান্ডবী মডেলিং প্রতিভা দেখিয়েছিলেন। গানটি বাংলাদেশে ইউটিউব দেখা সর্বোচ্চ গান।





To Read More Biography Follow Our Facebook Page...  Click Here

Thank you

BIography সালমান মুকত্দীর


Salman Muqtadir


পূর্ণ নাম: সালমান মুকত্দীর
জন্ম তারিখ: 9 আগস্ট, 1993
জন্মস্থান: সিডনি, অস্ট্রেলিয়া
শিক্ষা: ব্রিটিশ কাউন্সিল
বছর সক্রিয়: 2012-বর্তমান
বান্ধবী (ঞ): জেসিয়া ইসলাম
নেট মূল্য: 3 মিলিয়ন টাকা (আনুমানিক।)
ধর্ম: ইসলাম
রাশিচক্র সাইন ইন: লিও

সালমান মুকতাদির বাংলাদেশে একটি উত্তেজনাপূর্ণ ইউটিউব তারকা যিনি তাঁর ইউটিউব চ্যানেল 'সালমোনের দ্য ব্রাউনফিশ' নামে পরিচিত। তিনি অনলাইন উপার্জন ধারনা একটি নতুন মাত্রা যোগ করা। এখন তিনি বাংলাদেশে শীর্ষস্থানীয় ইউটিউব উপার্জনকারী। সালমানের অনেক ইউটিউব অনুসারী আছে যা তাকে রাতারাতি স্টারডম দেয়। এখন তিনি দেশের সুপরিচিত অভিনেতা, গায়ক এবং ইউটিউব ব্যক্তিত্ব।

সালমান মুকত্দীর প্রথম জীবন:
সালমান মুকাদ্দিরের জন্ম 9 আগস্ট 1993 সালে অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে। কিন্তু তিনি একজন বাংলাদেশী নাগরিক। তিনি ব্রিটিশ কাউন্সিল এবং মার্কিন নির্ম্মা প্রিক্সিন্টে পড়াশোনা করেন এবং তার শিক্ষা ইতিহাস দীর্ঘ নয়। সালমান প্রথম থেকেই শৈশব থেকে বিভিন্ন কাজ করার চেষ্টা করেছিলেন কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তিনি ব্যর্থ হন। তার ক্যারিয়ারের প্রথম দিকে একজন গায়ক হওয়ার ইচ্ছা ছিল কিন্তু ব্যর্থ হয়েছিল।



সালমান মুকত্দীর ক্যারিয়ার:
ইউটিউব চ্যানেল 'সালমোনের দ্য ব্রাউনফিশ' খোলার মাধ্যমে সালমান মুকাদ্দির তার পেশাদারী ইউটিউব ক্যারিয়ার শুরু করেন। চ্যানেল খুব অল্প সময়ের মধ্যে বিশাল প্রচারণা অর্জন করেছে, চ্যানেল 500 কোটি গ্রাহক এবং ২017 সালের 70 মিলিয়ন মতামত অর্জন করেছে। ২014 সালে, তিনি মেহজাবীন চৌধুরী এবং মিশু সাব্বিরের সাথে 'ভোলোবশা 101' নাটকটিতে প্রদর্শিত অভিনয় অভিযানে টেলিভিশনের অভিনয় শুরু করেছিলেন। ।

একই বছরে, তারিক আনাম খান, অপর্ণা ঘোষ ও জনাতুল ফেরদৌস পেয়ের সাথে তিনি 'ভিটামিন টি' নাটকে অভিনয় করেন। বছরের পর বছর ধরে বিখ্যাত শিল্পী মোশাররফ করিম ও সাবিলা নুরের সাথে সালমানের নাটক 'মফফরে' অভিনয় করেন। ২016 সালে তিনি সাবিলা নুরের নাটক 'জা কিছু ঘোটে' হাজির হন। এরপর তিনি ২017 সালে নাটক 'থার্ড জেনারেশন' নাটকে অভিনয় করেন।

ব্যক্তিগত জীবন:
মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ 2017 জেসিয়া ইসলাম অভিযোগ করেছেন যে সালমান মুকত্দির তার মতো অনেক মেয়েদের জীবন ধ্বংস করে দিয়েছিলেন। ফেসবুকের স্ট্যাটাসে, সৌন্দর্য রানী 198২ সালের 19 জানুয়ারি তারকাটির বিরুদ্ধে এই অভিযোগ উত্থাপন করেছিলেন। জেসিয়া বলার চেষ্টা করেছিলেন, সালমান রোমান্টিকভাবে তার সাথে জড়িত। কিন্তু সালমান এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, জেসিয়ার জাল ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে এটি একটি জাল অবস্থা। তারা একে অপরের কিছুই এক মিষ্টি সম্পর্ক আছে।

Biography Of Arman Alif

আরমান আলিফ

Shoppin in Daraz



আরমান আলিফ

পূর্ণ নাম: আরমান আলিফ
জন্ম তারিখ: 2000 সালে
জন্মস্থান: নেত্রকোনা, বাংলাদেশ
শিক্ষা: ঢাকা কমার্স কলেজ
পেশা: গায়ক
বছর সক্রিয়: 2017-বর্তমান
পত্নী (গুলি): NA
ধর্ম: ইসলাম
রাশিচক্র চিহ্ন: মেষ

আরমান আলিফ একজন উদীয়মান বাংলাদেশী গায়ক যিনি মিডিয়ার বিশাল মনোযোগ আকর্ষণ করেন যখন অন্যান্য ক্রিকেটারের সাথে সাকিব আল হাসান ট্রায়াল রুমে গানটি গাইতেন। সত্যিকার অর্থে, তিনি গান গেয়েছিলেন তার গান 'ওপোরাধী' গান গাওয়ার আগে। এখন, গায়ক একটি ইন্টারনেট সেন্সেশন রয়েছে যা বিপুল সংখ্যক YouTube অনুসরণকারী।

আরমান আলিফ প্রাথমিক জীবন:
আরমান আলিফের জন্ম নেত্রকোনা, বাংলাদেশে ২000 সালে। তিনি এই জেলায় উত্থাপিত এবং এখানে স্কুলে সম্পন্ন। এখন আলিফ ঢাকা কমার্স কলেজে পড়াশোনা করছেন। তাঁর মায়ের নাম লিপি আক্তার যিনি তাঁকে একজন গায়ক হতে অনুপ্রাণিত করেছিলেন। তিনি একটি ভাই এবং একটি বোন আছে। আলিফ শৈশবের শৈশব থেকে সঙ্গীত আঙ্গিনা সম্পর্কে এত উত্সাহী ছিল এবং কোনো পুত্র হামিং গাইতে চেষ্টা।



আরমান আলিফ ক্যারিয়ার:
২017 সালে ব্যান্ড 'চন্দ্রবিন্দু' ব্যান্ডে সঙ্গীত আর্মিতে যাত্রা শুরু করেছিলেন আরমান আলিফ। এই বছর তিনি প্রথম একক 'নিকোটিন' প্রকাশ করেছিলেন। তারপর আরমান দ্বিতীয় গান 'নাশা' মুক্তি। দুটি গান সঙ্গীত আঙ্গুল যথেষ্ট hype না। কিন্তু তিনি তার তৃতীয় গান 'ওপোরাধী' মুক্তি যখন টাইমলাইন আসে। গানটি তাকে সারা দেশে রাতারাতি গায়ক বানিয়েছিল এবং বিশ্বব্যাপী স্বীকৃতি পেয়েছিল যা ইউটিউব 100 গ্লোবাল র্যাঙ্কিংয়ের মধ্যে স্থান পেয়েছিল। গান ইতিমধ্যে 41 মিলিয়ন মতামত অর্জন করেছে। তিনি বাংলাদেশি গায়ক নানসি এবং বালাম দ্বারা যথেষ্ট অনুপ্রাণিত।

ব্যক্তিগত জীবন:
ব্যক্তিগত জীবনে, আরমান আলিফ এখনও অবিবাহিত। নিশ্চিতভাবেই বলা যেতে পারে যে তাঁর বিপুল সংখ্যক মহিলা ভক্ত রয়েছে এবং এই ভক্তদের কাছে এটি আনন্দদায়ক।


to Read More Story Visit Our Web - Click Here

Thank you

Monday, 19 November 2018

৬ বিখ্যাত মানুষ যারা আপনাকে কখনো ছেড়ে দিতে অনুপ্রাণিত করবে না


Our Website link         →→→→→→→     Click Here         ←←←←←←←←←

"কখনোই ছাড়বেন না।" সম্ভবত আপনি সম্ভবত আপনার ক্যারিয়ার তৈরি করছেন এমন বেশিরভাগ ক্যুইচ বাক্যাংশগুলির একটি। কিন্তু এই কারণগুলি হ'ল একটি কারণ আছে- আপনি কখনই জানেন না যে সাফল্যের পরের কোণের কাছাকাছি আসলেই মিথ্যা আছে।

আমরা বিশ্বাস করি যে কাজটি করা সহজ বলে বলা হয়, তাই আমরা বিখ্যাত সেলিব্রিটিদের নিম্নলিখিত গল্পগুলি সংগ্রহ করেছি যারা স্যার জেসিকা পার্কার, স্টিফেন কিং এবং জে। কে। এর সাথে নিশ্চিতভাবে কখনও ছেড়ে দেওয়া হয়নি। Rowling, প্রারম্ভিক জন্য।

এই সব লোকেরা এখন পরিবারের নাম, কিন্তু তারা এক সহজে পরিণত হয় নি। কেউ কেউ তাদের গাড়িতে বাস করতেন, অন্যজন পারিবারিক নির্যাতনের শিকার হন এবং প্রায় সবাইকে প্রত্যাখ্যানের পরে প্রত্যাখ্যান পেশাগতভাবে এবং ব্যক্তিগতভাবে-সম্মুখীন হওয়ার আগে অবশেষে দরজার পায়ে পৌঁছেছেন। পড়ুন এবং অনুপ্রাণিত পেতে!




Admin Profile Link- Click Here

Facebook Group Link - click Here

Facebook Page Link - Click Here



জে। কে। রাউলিং  


J.K. হ্যারি পটার বইটি হ্যারি পটার এবং দ্য ফিলোসফার স্টোন, হ্যারি পটার বইয়ের মাত্র তিন বছর আগে 1994 সালে রোলিংকে সরকারী সহায়তা দেওয়া হয়েছিল এবং 1994 সালে তার সন্তানকে খাওয়ানোর সামান্য সামর্থ্য ছিল। প্রকাশিত। যখন সে এটি কিনেছিল, তখন সে এতই দরিদ্র ছিল যে সে কোনও কম্পিউটার বা সামনের 90,000-শব্দ উপন্যাসের ফটোকপি করার খরচও বহন করতে পারেনি, তাই সে নিজে প্রকাশক পাঠাতে প্রতিটি সংস্করণ টাইপ করে। এটি কয়েক ডজন বার প্রত্যাখ্যাত হয়েছিল শেষ অবধি ব্লুমসবারি, একটি ছোট লন্ডন প্রকাশক, এটি সিইও এর আট বছর বয়সী মেয়েটির প্রেমে পড়ার পর দ্বিতীয় সুযোগ দেয়।



স্টিফেন কিং


রাজা প্রথমবার লেখার চেষ্টা করার সময় ভেঙ্গে পড়েছিলেন এবং সংগ্রাম করেছিলেন। তিনি তার স্ত্রীর সাথে একটি ট্রেলারে থাকতেন-এছাড়াও একজন লেখক-এবং তারা উভয় তাদের কারুশিল্প অনুসরণের সময় তাদের পরিবারকে সমর্থন করার জন্য একাধিক কাজ করেছে । তারা এত দরিদ্র ছিল যে তাদের বিবাহের জন্য কাপড় ধার করতে হয়েছিল এবং টেলিফোন থেকে মুক্তি পেয়েছিল কারণ এটি খুব ব্যয়বহুল ছিল।

রাজা তাঁর কাজগুলির জন্য অনেক প্রত্যাখ্যানের চিঠি পেয়েছিলেন, যা তিনি সংগ্রহ করার জন্য একটি পদ্ধতি তৈরি করেছিলেন। লেখারতার বইয়ে, তিনি স্মরণ করে বলেন: "আমি 14 বছর বয়সে ... আমার প্রাচীরের পেরেকটি তার উপর আরোপিত প্রত্যাখ্যান স্লিপের ওজন সমর্থন করবে না। আমি একটি স্পাইক দিয়ে পেরেকটি প্রতিস্থাপিত এবং লেখার উপর রাখি। "35 ডলারের জন্য তার প্রথম ছোট্ট গল্প" দ্য গ্লাস ফ্লোর "বিক্রি করার আগে তাকে 60 টি রিজেকশন দেওয়া হয়েছিল। এমনকি তার এখন সেরা বিক্রয়যোগ্য বই, ক্যারি, প্রথমটি হিট ছিল না। কয়েক ডজন রিজার্ভেশন শেষে, তিনি অবশেষে ডাবললে পাবলিশিংয়ের জন্য এটি অল্প সময়ের জন্য বিক্রি করেন, যেখানে হার্ডব্যাকটি শুধুমাত্র 13,000 টি কপি বিক্রি করে-অসাধারণ নয়। এর পরপরই, $ 400,000 এর কাগজপত্রের অধিকারের জন্য সাইনট বুকস স্বাক্ষরিত হয়, যার মধ্যে $ 200,000 রাজা গিয়েছিলেন। সাফল্য অর্জন!



জিম ক্যারি 



Admin Profile Link- Click Here

Facebook Group Link - click Here

Facebook Page Link - Click Here

যখন ক্যারেরি 14 বছর বয়সে ছিলেন, তখন তার বাবার চাকরি হারাল, এবং তার পরিবারের বেশ কিছুটা বার আঘাত হানে। তারা একটি আপেক্ষিক লণ্ঠে একটি ভিডাব্লু ভ্যানে গিয়েছিল, এবং তরুণ উচ্চাকাঙ্ক্ষী কমেডিয়ান-তার কৌতুকের জন্য এতটাই উৎসর্গীকৃত ছিল যে তিনি মাত্র কয়েক বছর আগে ক্যারল বার্নেট শো এ তার সারসংকলনটি মেলান 10 বছর বয়সে-স্কুল শেষ হওয়ার পর স্কুলে পড়ার পর 8 ঘণ্টা-প্রতি-দিনে কারখানার চাকরি নেয়।


15 বছর বয়সে, ক্যারে প্রথমবারের মতো তার কমেডি রুটিন স্টেজে অভিনয় করেছিলেন - তার মামা তাকে মায়ের তৈরি করেছিল এবং সম্পূর্ণরূপে বোমা মেরেছিল, কিন্তু সে বিরক্ত ছিল। পরের বছর, 16 বছর বয়সে, তিনি কমেডি পূর্ণ সময়ের উপর মনোযোগ দিতে স্কুল ছেড়ে চলে যান। তিনি শীঘ্রই এলএতে চলে যান, যেখানে তিনি প্রতি রাতে মুলহল্যান্ড ড্রাইভে পার্ক করবেন এবং তার সাফল্যকে কল্পনা করবেন। এই রাতের মধ্যে তিনি নিজেকে "অ্যাক্টিভিং সার্ভিস রেঞ্জার্ড" এর জন্য 10,000,000 ডলারের চেক লিখেছিলেন, যা তিনি থ্যাঙ্কসগিভিং 1995 এর জন্য ডেট করেছিলেন। সেই তারিখের ঠিক আগে, তিনি ডাম এবং ডুমারএর সাথে তার বেতন দিচ্ছেন। তিনি নষ্ট চেক, যা তিনি তার প্যাটার্ন পুরো সময়, তার পিতার ক্যাসকে রাখা রাখা হবে।



টাইলার পেরি




পেরি একটি রুক্ষ শৈশব ছিল। তিনি শারীরিক ও যৌন নির্যাতনের শিকার হন এবং উচ্চ বিদ্যালয় থেকে লাথি মেরে আত্মহত্যা করার চেষ্টা করেন এবং একবার একবার ২২ বছর বয়সে আত্মহত্যা করার চেষ্টা করেন। ২3 এ তিনি আটলান্টায় চলে যান এবং তার মঞ্চে কাজ শুরু করে অদ্ভুত চাকরি করেন। কর্মজীবন।

1 99 2 সালে তিনি তার প্রথম থিয়েটার উত্পাদনে লিখেছেন, উত্পাদিত এবং তারকাচিহ্নিত করেছেন, আমি জানি যে আমি পরিবর্তন করেছি, কিছুটা তার কঠিন উত্সাহের দ্বারা অবগত। পেরি তার সমস্ত সঞ্চয়গুলি শোতে রাখে এবং এটি খারাপভাবে ব্যর্থ হয়; রান মাত্র এক সপ্তাহান্তে স্থায়ী হয় এবং শুধুমাত্র 30 জন দেখতে এসেছিলেন। তিনি উত্পাদন সঙ্গে রাখা, আরো অদ্ভুত কাজ কাজ এবং প্রায়ই পেতে তার গাড়ী slept। ছয় বছর পরে, পেরি শেষ পর্যন্ত তার সপ্তম রান যখন, মাধ্যমে অনুষ্ঠান ভেঙ্গে একটি সাফল্য হয়ে ওঠে। তিনি একজন পরিচালক, লেখক, এবং অভিনেতা হিসাবে অত্যন্ত সফল কর্মজীবনের জন্য চলে গেছেন। আসলে, 2011 সালে পেরিকে ফোর্বস ' বিনোদন প্রদানের সর্বোচ্চ অর্থ প্রদানের নাম দেওয়া হয়েছিল।

Admin Profile Link- Click Here

Facebook Group Link - click Here

Facebook Page Link - Click Here


কর্নেল (হারল্যান্ড) স্যান্ডার

কর্নেল (হারল্যান্ড) স্যান্ডার



কর্নেল হারল্যান্ড স্যান্ডারসকে তার কর্মজীবন জুড়ে বিভিন্ন ধরণের চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছিল 1930 সালে গ্রেট ডিপ্রেশন চলাকালীন 40 বছর বয়সে তিনি তার রাস্তার পাশে শেল সার্ভিস স্টেশনে মুরগির রান্না শুরু করার আগে। তার গ্যাস স্টেশন আসলে একটি রেস্টুরেন্ট ছিল না, তাই তিনি তার সংযুক্ত ব্যক্তিগত বসবাস চতুর্থাংশে diners পরিবেশিত।


পরবর্তী 10 বছরে, তিনি তার "সিক্রেট রেসিপি" এবং তার বিখ্যাত ভাজা চিকেনের জন্য চাপ ফ্রিয়ার রান্নার পদ্ধতি পরিপূর্ণ করেছিলেন এবং বড় অবস্থানে চলে যান। তার মুরগী ​​এমনকি খাদ্য সমালোচক ডানকান হাইনস (হ্যাঁ, যে ডানকান হাইনস) দ্বারা মিডিয়া মধ্যে প্রশংসা করা হয়। যাইহোক, আন্তঃসীমান্ত কেনটাকি শহরের মধ্য দিয়ে এসেছিল, যেখানে কর্নেলের রেস্টুরেন্টটি 1950 এর দশকে অবস্থিত ছিল, এটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ট্র্যাফিকটি সরিয়ে নিয়েছিল এবং কর্নেলকে তার ব্যবসা বন্ধ করতে বাধ্য করা হয়েছিল এবং অবসর নেওয়ার, মূলত ভাঙ্গা । তার কম বয়সী 105 ডলারের পেনশন চেকটি থেকে বেঁচে থাকার বিষয়ে তিনি চিন্তিত হয়েছিলেন, তিনি তার গোপন রেসিপিটি ফ্রন্টাইজ করে এমন রেস্তোরাঁ খুঁজতে বেরিয়েছিলেন-তিনি বিক্রি প্রতিটি মুরগির জন্য একটি নিকেল চেয়েছিলেন। তিনি ঘুরে ঘুরে যান, গাড়ীতে ঘুমাচ্ছিলেন, এবং অবশেষে তার প্রথম সঙ্গীকে খোঁজার 1000 বারেরও বেশি সময় আগে তাকে প্রত্যাখ্যান করা হয়েছিল।


টাওয়ারের ক্যারিয়ার আসলে কাঁচা উচ্চাকাঙ্ক্ষার চেয়ে আরও বেশি প্রয়োজনীয়তা থেকে শুরু করে। তার বাবা-মা দুজনেই তালাকপ্রাপ্ত হয়েছিল এবং সে খুব কমই তার বাবাকে দেখেছিল। তার মা এবং বাবা-মা, যার কাছে তিনি ঘনিষ্ঠ হয়ে গেছেন, প্রায়শই তা পেতে যথেষ্ট হয় নি, তাই তিনি মাত্র আট বছর বয়সে অতিরিক্ত অর্থ উপার্জন করতে বারে গান গাওয়া শুরু করেন।


তিনি উঠতে এবং সঞ্চালনের জন্য সব সময় তার মা জেগে ওঠা স্মরণ। দুঃখের বিষয় হল, তিনি যখন ২1 বছর বয়সে ছিলেন, তখন তার মা ও বাবা-মা হত্যাকাণ্ডে গাড়ি দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছিলেন। টোয়েন তার কর্মজীবনকে ধাপে ধাপে ধরে রাখতে এবং তার তিনটি ছোট ভাইবোনদের (যারা তাদের তেরো বয়সে ছিলেন) যত্ন নিতে। তিনি রিসর্টে গান গেয়েছিলেন এবং বড় বোনের স্টারডোম পরে যাবেন না যতক্ষন না তার বোন ও ভাইয়েরা নিজের যত্ন নেওয়ার জন্য যথেষ্ট বয়সে। তার একমাত্র ছোট ভাই স্নাতক হাইস্কুলের একমাত্র কর্মজীবন তার ক্যারিয়ারকে এগিয়ে নেয়ার জন্য ন্যাশভিলের দিকে ঠেলে দেয়।