![]() |
| হাল ছের না |
স্বপ্ন তাদেরই পূরণ হয়, যাদের স্বপ্নতে জীবন থাকে। আমাদের খুশী হচ্ছে, কারণ আপনার নিজের উপর বিশ্বাস আছে। নজর আসমানে তো ঠিকই, কিন্তু পায়ের নিচে জমিন আছে। একটি সফল জীবনের অর্থই এটা হয়ে থাকে। নিজের Limit-কে Stages করা। দুনিয়ার System-কে Challenge করা। সব সময় ঐ উপায় গুলোর খোঁজ করা, যার মাধ্যমে নিজেকে আপনি এক ভালো মানুষ বানাতে পারবেন।
Facebook Link Click Here
এখন জিজ্ঞাসা করো না, লক্ষ্য কোথায়!
এখন জিজ্ঞাসা করো না, লক্ষ্য কোথায়!!
এখন তো মাত্র সফর করার ইচ্ছা পোষণ করলাম।
না হেরেছিলাম, না কখনও হারবো।
অন্য কারো কাছে নয়, নিজের উপর প্রতিজ্ঞা করেছি।
এই বিশ্বে যেসব জিনিস আপনার, আপনাকে ঐটার জন্য কাজ করতেই হবে। হোক যতই মুশকিল হোক যাত্রায়। ঐ জিনিসের ব্যবস্থা করতেই হবে।
কখনও কখনও এমনও হবে, এই দুনিয়া, Calculation, Logic আর Science একসাথে বলবে -- এটা অসম্ভব। আপনি এটা করতেই পারবেন না।
কিন্তু একটা কথা মনে রাখবেন, এই দুনিয়াই, Logic, Calculation আর এই Science-ই তো থমাস এডিশন-কেও বলেছিল -- বাল্ব তৈরি করা অসম্ভব।
গ্রাহাম বেল-কেও তো বলেছিলো না, বসে বসে এক জায়গা থেকে লক্ষ লক্ষ মাইল কোন মানুষের সাথে কথা বলা যাবে না। রাইট ব্রাদার্স-কেও তো বলেছিল, এই মানুষ কখনও আকাশে উড়তে পাড়বে না। মানুষের জন্ম শুধু জমিনে চলার জন্য হয়েছে।
গান্ধী যি কেউ বলেছিল, একজন একলা মানুষ কখনও পরিবর্তন আনতে পাড়বে না। কিন্তু Impossible জিনিসকে Possibleকরার জন্য আপনাকেও এই লোকদের মত লড়তে হবে। কি জিনিস আপনি এটা দুনিয়াকে বলতে হবে।
এই দুনিয়াতে আপনার যা কিছু আছে, তার উপর আপনার হক বসাতে হবে। আপনাকে নিজের উপর আর আপনার Dream-এর উপর বিশ্বাস করতে হবে। কারণ, হয়ে থাকে যখন মানুষের নিজের জ্ঞান, বলে থাকে তাকে শক্তিমান।
আমাদের ছোট থেকেই এইটাই শিখানো হয়ে থাকে, জীবনের ২৫ বছর পর্যন্ত কাগজকে পড়, তারপরের ২৫ বছর পর্যন্ত কাগজকে কামাও। আর তারপরের ২৫ বছর, Retire হয়ে Save করে রাখা কাগজের ভরসায় তোমার পুরো জীবনকে চালাও। আর মৃত্যুর অপেক্ষা কর। এই দুনিয়া এমনই। কিছু System তৈরি হয়। যেগুলো সবাই Follow করে।
আপনি Study-কেই ধরুন। যখন আমরা S.S.C-তে পাশ করি। তখন আমাদের শুধু ৩টি রাস্তার কথা বলা হয়ে থাকে। Science নিয়ে Engineer হয়ে যাও। Commerce নিয়ে ব্যাংকার হয়ে যাও। অথবা Art নিয়ে নাও, যদি পড়ালিখায় বেশি মনোযোগ না থাকে তো। পরে দেখা যাবে।
আমাদের কি বলা হয়েছিল, আমরা Radio Jockey-ও হতে পারবো আর ঐটার জন্য কীরকম Stream নিতে হবে। এটা কি কেউ বলেছে, যে আমরা একজন YouTuber-ও হতে পারি। কেউ কি বলেছিল, আমরা নিজের Startup করতে পারি আর আমরা এক Entrepreneur হতে পারি। কেউ কি বলেছিল, আমরা Sound Engineering করে-- DJ হতে পারি। Ethical Hacking করে Bank Security-তে যেতে পারি।
Twiter Link Click Here
এমন নয় যে, এসব জিনিসে Scope নেই। কথা হলো-- এসব জিনিস আমাদের System-এর নাগালের বাইরে। আমাদের ছোট থেকেই ভিড়ের অংশ বানানোর জন্য Train করা হচ্ছে। আলাদা কিছু করা দূর, চিন্তা করার জন্যও কেউ Appreciateকরে না। আর আমরা মেনে নেয় যে, দুনিয়া এমনই, যেমনটা মানুষ আর এই System আমাদের দেখাচ্ছে।
কিন্তু আপনি কোন সফল মানুষের জীবনকে উলটিয়ে দেখুন Yaar, সবাই System-এর বাইরে থেকে Perform করে। Bill Gates, Steve Jobs আর Mark Zuckerberg-রা তাদের কলেজ ছেড়ে দেয়।
ভারতের দিরুভাই আম্বানি তো কলেজই যায়নি। আব্রাহাম লিংকন রাতে ফুটপাতের লাইটের নিচে পড়ত।
চিন্তা কর, যদি মানুষগুলোও System-এর অংশ হয়ে যেত। ঐ System-এ লেগে থাকতো। তো তাহলে কি আমরা এই ভিডিও-তে এসব মানুষদের নাম নিতাম। "Never"
এমনটা একেবারেই নয় Yaar. এসব মানুষের দুইয়ের জায়গায় চারটি হাত ছিল। অথবা কোন Extra Brain ছিল। শুধু এসব মানুষের নিজের উপর Believe বেশি Strong ছিল -- System-এর Believe থেকে।
এসব মানুষ Logic আর Science কিছুই দেখে না। এরা শুধু Josh-এর সাথে কাজ করে থাকে। এই কোথায় কোন সন্দেহ নেই, এসব অনেক মুশকিল। এত মুশকিল যে, আপনার শরীর জবাব দিতে পারে। আপনার আত্মবিশ্বাসও জবাব দিতে পারে। কিন্তু বিশ্বাস করুন, যদি আপনি এই মুশকিল কে সহ্য করে ফেলেন। তো জীবনে সঠিক খেলে গেলেন।
জীবনের সবচেয়ে Ultimate Feeling হলো-- Success. কিছুবছর পড় যখন আপনারা বুড়ো হয়ে, Dead Bad-এ সুয়ে থাকবেন। তো তখন এক সান্ত্বনা পাবেন। আরে Yaar, কিছু তো করে যাচ্ছি অন্য সবার থেকে আলাদা।
এক Scooter চালানো ওয়ালা ব্যাক্তিও Aeroplane কিনার স্বপ্ন দেখে। এবং হ্যাঁ, আপনাদের কে এক কথা মনে করিয়ে দেই-- এই দুনিয়াতে কিছু মানুষ ইতিহাস পড়ছে Mark-এর জন্য। আর কিছু মানুষ ইতিহাসকে রচিত করে তার নিজ চিন্তা দিয়ে, নিজ Josh দিয়ে। পরিশ্রম আর রক্ত দিয়ে। যখন দুনিয়া সুয়ে থাকে শান্ত হয়ে।
ভাগতে থাকো, নিজের Goal-এর পিছে। কারণ, আজকে নয় অন্য দিন-- করবে মানুষ গৌরব একদিন। লেগে থাকো, শুধু থেমে থেকো না।
এখন জিজ্ঞাসা করো না, লক্ষ্য কোথায়!
এখন জিজ্ঞাসা করো না, লক্ষ্য কোথায়!!
এখন তো মাত্র সফর করার ইচ্ছা পোষণ করলাম।
না হেরেছিলাম, না কখনও হারবো।
অন্য কারো কাছে নয়, নিজের উপর প্রতিজ্ঞা করেছি।
এই বিশ্বে যেসব জিনিস আপনার, আপনাকে ঐটার জন্য কাজ করতেই হবে। হোক যতই মুশকিল হোক যাত্রায়। ঐ জিনিসের ব্যবস্থা করতেই হবে।
কখনও কখনও এমনও হবে, এই দুনিয়া, Calculation, Logic আর Science একসাথে বলবে -- এটা অসম্ভব। আপনি এটা করতেই পারবেন না।
কিন্তু একটা কথা মনে রাখবেন, এই দুনিয়াই, Logic, Calculation আর এই Science-ই তো থমাস এডিশন-কেও বলেছিল -- বাল্ব তৈরি করা অসম্ভব।
গ্রাহাম বেল-কেও তো বলেছিলো না, বসে বসে এক জায়গা থেকে লক্ষ লক্ষ মাইল কোন মানুষের সাথে কথা বলা যাবে না। রাইট ব্রাদার্স-কেও তো বলেছিল, এই মানুষ কখনও আকাশে উড়তে পাড়বে না। মানুষের জন্ম শুধু জমিনে চলার জন্য হয়েছে।
গান্ধী যি কেউ বলেছিল, একজন একলা মানুষ কখনও পরিবর্তন আনতে পাড়বে না। কিন্তু Impossible জিনিসকে Possibleকরার জন্য আপনাকেও এই লোকদের মত লড়তে হবে। কি জিনিস আপনি এটা দুনিয়াকে বলতে হবে।
এই দুনিয়াতে আপনার যা কিছু আছে, তার উপর আপনার হক বসাতে হবে। আপনাকে নিজের উপর আর আপনার Dream-এর উপর বিশ্বাস করতে হবে। কারণ, হয়ে থাকে যখন মানুষের নিজের জ্ঞান, বলে থাকে তাকে শক্তিমান।
আমাদের ছোট থেকেই এইটাই শিখানো হয়ে থাকে, জীবনের ২৫ বছর পর্যন্ত কাগজকে পড়, তারপরের ২৫ বছর পর্যন্ত কাগজকে কামাও। আর তারপরের ২৫ বছর, Retire হয়ে Save করে রাখা কাগজের ভরসায় তোমার পুরো জীবনকে চালাও। আর মৃত্যুর অপেক্ষা কর। এই দুনিয়া এমনই। কিছু System তৈরি হয়। যেগুলো সবাই Follow করে।
আপনি Study-কেই ধরুন। যখন আমরা S.S.C-তে পাশ করি। তখন আমাদের শুধু ৩টি রাস্তার কথা বলা হয়ে থাকে। Science নিয়ে Engineer হয়ে যাও। Commerce নিয়ে ব্যাংকার হয়ে যাও। অথবা Art নিয়ে নাও, যদি পড়ালিখায় বেশি মনোযোগ না থাকে তো। পরে দেখা যাবে।
আমাদের কি বলা হয়েছিল, আমরা Radio Jockey-ও হতে পারবো আর ঐটার জন্য কীরকম Stream নিতে হবে। এটা কি কেউ বলেছে, যে আমরা একজন YouTuber-ও হতে পারি। কেউ কি বলেছিল, আমরা নিজের Startup করতে পারি আর আমরা এক Entrepreneur হতে পারি। কেউ কি বলেছিল, আমরা Sound Engineering করে-- DJ হতে পারি। Ethical Hacking করে Bank Security-তে যেতে পারি।
Twiter Link Click Here
এমন নয় যে, এসব জিনিসে Scope নেই। কথা হলো-- এসব জিনিস আমাদের System-এর নাগালের বাইরে। আমাদের ছোট থেকেই ভিড়ের অংশ বানানোর জন্য Train করা হচ্ছে। আলাদা কিছু করা দূর, চিন্তা করার জন্যও কেউ Appreciateকরে না। আর আমরা মেনে নেয় যে, দুনিয়া এমনই, যেমনটা মানুষ আর এই System আমাদের দেখাচ্ছে।
কিন্তু আপনি কোন সফল মানুষের জীবনকে উলটিয়ে দেখুন Yaar, সবাই System-এর বাইরে থেকে Perform করে। Bill Gates, Steve Jobs আর Mark Zuckerberg-রা তাদের কলেজ ছেড়ে দেয়।
ভারতের দিরুভাই আম্বানি তো কলেজই যায়নি। আব্রাহাম লিংকন রাতে ফুটপাতের লাইটের নিচে পড়ত।
চিন্তা কর, যদি মানুষগুলোও System-এর অংশ হয়ে যেত। ঐ System-এ লেগে থাকতো। তো তাহলে কি আমরা এই ভিডিও-তে এসব মানুষদের নাম নিতাম। "Never"
এমনটা একেবারেই নয় Yaar. এসব মানুষের দুইয়ের জায়গায় চারটি হাত ছিল। অথবা কোন Extra Brain ছিল। শুধু এসব মানুষের নিজের উপর Believe বেশি Strong ছিল -- System-এর Believe থেকে।
এসব মানুষ Logic আর Science কিছুই দেখে না। এরা শুধু Josh-এর সাথে কাজ করে থাকে। এই কোথায় কোন সন্দেহ নেই, এসব অনেক মুশকিল। এত মুশকিল যে, আপনার শরীর জবাব দিতে পারে। আপনার আত্মবিশ্বাসও জবাব দিতে পারে। কিন্তু বিশ্বাস করুন, যদি আপনি এই মুশকিল কে সহ্য করে ফেলেন। তো জীবনে সঠিক খেলে গেলেন।
জীবনের সবচেয়ে Ultimate Feeling হলো-- Success. কিছুবছর পড় যখন আপনারা বুড়ো হয়ে, Dead Bad-এ সুয়ে থাকবেন। তো তখন এক সান্ত্বনা পাবেন। আরে Yaar, কিছু তো করে যাচ্ছি অন্য সবার থেকে আলাদা।
এক Scooter চালানো ওয়ালা ব্যাক্তিও Aeroplane কিনার স্বপ্ন দেখে। এবং হ্যাঁ, আপনাদের কে এক কথা মনে করিয়ে দেই-- এই দুনিয়াতে কিছু মানুষ ইতিহাস পড়ছে Mark-এর জন্য। আর কিছু মানুষ ইতিহাসকে রচিত করে তার নিজ চিন্তা দিয়ে, নিজ Josh দিয়ে। পরিশ্রম আর রক্ত দিয়ে। যখন দুনিয়া সুয়ে থাকে শান্ত হয়ে।
ভাগতে থাকো, নিজের Goal-এর পিছে। কারণ, আজকে নয় অন্য দিন-- করবে মানুষ গৌরব একদিন। লেগে থাকো, শুধু থেমে থেকো না।
(আপনাদের মূল্যবান মন্তব্য আশা করছি )

No comments:
Post a Comment